১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা ইতিহাসে নজিরবিহীন ॥ আমু


শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকার যে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, তা বিশ্বের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্যের পাশাপাশি ভারত প্রায় এক কোটি বাংলাদেশী শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল। এ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আড়াই লাখ ভারতীয় সেনার মধ্যে প্রায় দেড় হাজার জনজীবন উৎসর্গ করেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিল্পমন্ত্রী বুধবার ভারতে কলকাতার নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে পাঁচদিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ বিজয় উৎসব’ এর উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এ উৎসবের আয়োজন করে। কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার জকি আহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্য রাখেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে সফল করার লক্ষ্যে ভারত সরকার বাংলাদেশী শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সহায়তা দিয়ে সাহায্য করেছিল। সে সময় ভারত ৬৯টি বেজ ক্যাম্প ও ১শ’ উপবেজ ক্যাম্পে ১ লাখ মুক্তিযোদ্ধাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এর পাশাপাশি যুদ্ধকালে বিশ্বজনমতকে বাংলাদেশের অনুকূলে আনার জন্য ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সবচেয়ে বেশি অবদান রাখেন। তিনি বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে বিভিন্ন দেশের জনগণ ও সরকারের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছিলেন।

উল্লেখ্য, পাঁচদিনব্যাপী এ উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জামদানি, টাঙ্গাইল তাঁত শাড়ি, রাজশাহীর সিল্ক, বুটিক, হস্ত ও কারুশিল্প, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক ও মেলামাইন সামগ্রী। থাকছে কাচ্চি বিরিয়ানি, ভুনা খিচুড়ি, পিঠা-পুলি, সন্দেশসহ ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী মুখরোচক খাবার।

এছাড়া প্রতিদিন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা রয়েছে। Ñখবর তথ্য বিবরণীর

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: