২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ফারুক-তাশফিন দম্পতির শিশুর ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ


ক্যালিফোর্নিয়ার সান বারনারডিনো গুলিবর্ষণকারী দম্পতির শিশু সন্তানের ভাগ্যে কি ঘটতে যাচ্ছে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। গত ২১ মে মেয়ে শিশুটির জন্ম হয়েছিল। সে এখন সান বারনারডিনো কাউন্টির শিশু সুরক্ষা বিভাগের হেফাজতে রয়েছে। তবে তাকে ঠিক কোথায় রাখা হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানান হয়নি।

যে বয়সে একটি শিশুর হামাগুঁড়ি দিয়ে হাঁটার কথা ও অন্যের কথা শুনে একটি দুটো করে কথা বলতে শুরু করার সময় তখন তাকে কারও না পরিচর্যায় থাকা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু কে নেবে তার অভিভাবকত্ব তা এখনও স্থির হয়নি। শিশুটির বাবা সৈয়দ রিজওয়ান ফারুক ও মা তাশফিন মালিক এ মাসের ২ তারিখ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। এর ঘণ্টা চারেক আগে সান বারনারডিনো কাউন্টির ইনল্যান্ড রিজিওনাল সেন্টারে তাদের গুলিবর্ষণে ১৪ জন নিহত ও অনেকে আহত হন। তদন্তকারীদের ধারণা ওই সেন্টারটি ছাড়াও আরও কয়েকটি স্থানে তারা হামলার পরিকল্পনা এঁটে ছিলেন। এই দম্পতির বাড়ি তুলনামূলকভাবে নিরিবিলি রেডল্যান্ডস এলাকায়। সেখানে তাদের বাসা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। রিভারসাইডের বাড়িটি বিক্রি করে দেয়ার পর জুন মাস থেকে তারা সেখানে থাকতেন। ফারুক ও তাশফিন দম্পতির সঙ্গে থাকতেন ফারুকের মা রাফিয়া ফারুকও।

স্বামী সৈয়দ ফারুকের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটার পর রাফিয়া ছেলে ও পুত্রবধূর সঙ্গেই থাকতেন। এদিকে ফারুকের বোন সায়রা খান ও তার স্বামী ফারহান খান শিশুটির অভিভাবকত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। রিভারসাইড ও করোনার মধ্যবর্তী লা সিয়েরা এলাকায় খান দম্পতির একটি খামারবাড়ি ধাঁচের বাড়ি রয়েছে। ইনল্যান্ড রিজিওনাল সেন্টারে গুলিবর্ষণের পর মিডিয়ার মনোযোগ এখন খান দম্পতির দিকে নিবদ্ধ হয়েছে। রবিবার ফারহান খান সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি ইতোমধ্যেই মিডিয়ার সঙ্গে অনেক কথা বলেছেন নতুন করে আর কিছু বলার ইচ্ছা তার নেই। আইনজীবীর মাধ্যমে মিডিয়াকে তারা জানিয়েছেন, ফারুক কিভাবে ধর্মীয় চরমপন্থীদের দলে ভিড়ে গেল সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানতেন না। ২ ডিসেম্বরের ওই ঘটনার পর থেকে ফারুকের পরিবারের সদস্যদের এফবিআই ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। খান দম্পতির বাড়ির সামনে সাংবাদিক, রিপোর্টার ও ক্যামেরা ক্রুদের লাইন লেগে গিয়েছিল। কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনসের মুখপাত্র মুস্তফা মাহবুবের মাধ্যমে মিডিয়াকে তারা জানিয়েছেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের যথেষ্ট উত্তর তারা দিয়েছেন। তারা এখন শিশুটির নিজেদের দায়িত্বে গ্রহণ করার অপেক্ষায় রয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট