২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

পৌরসভা নির্বাচনে চলছে জমজমাট প্রচার


স্টাফ রিপোর্টার ॥ জমে উঠেছে পৌরসভা নির্বাচন। চলছে প্রার্থীদের মধ্যে জমজমাট প্রচার, পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে প্রার্থীরা যাতে আচরণবিধি মেনে চলে সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোন প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থ নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া কোন প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে কমিশন থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আচরণবধি লঙ্ঘনরোধে প্রত্যেক পৌর এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেটরা সর্বক্ষণিকভাবে আচরণবিধির বিষয়টি দেখভাল করছে। কোথাও কোন সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে তাদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও কমিশন বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে গণমাধ্যমের খবর পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে সোমবার এক বৈঠক শেষে কমিশনার শাহনেওয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, যেসব অভিযোগের মেরিট রয়েছে সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে। বিধি লঙ্ঘনকারী যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন রিটার্নিং অফিসার। কমিশনার জাবেদ আলী বলেন, ইসির সিদ্ধান্তের বা সুপারিশের জন্য অপেক্ষার প্রয়োজন নেই। এখন মাঠে নির্বাহী হাকিম রয়েছে। রিটার্নিং অফিসার যে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

ইসি সচিবালয়ের মনিটরিং কমিটির প্রধান উপসচিব রকিব উদ্দিন ম-ল বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত যে কোন বিষয়ে সুপারিশসহ ইসির অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি জানান, মাঠ কর্মকর্তাদের ইসির নির্দেশনা পাঠানোর পর তা তদন্ত বা যাচাই করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। ইসির উপ-সচিব সামসুল আলমও রিটার্নি কর্মকর্তাদের আচরণবিধি লঙ্ঘন দেখভালে জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশে বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিয়ত কিছু পৌরসভায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। এটি কোনক্রমেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। নির্বাচনে আগ পর্যন্ত প্রার্থীদের নির্ঘুম সময় পার করতে হবে। ১৪ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু হলেও প্রার্থীদের সামনে কম সময়ই রয়েছে প্রচারের জন্য। প্রার্থীরা এ সময়কে সাধ্যমতো কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে একযোগে সারাদেশে ২৩৪টি পৌরসভা নির্বাচন। সামনে প্রচারের জন্য প্রার্থীরা সময় পাচ্ছে আর মাত্র ১২ দিন। এ সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে টানতে তাদের ঘুম হারাম হয়ে পড়ছে। নির্বাচনে জিততে দিচ্ছেন নানা ধরনের প্রতিশ্রুতিও। দলীয় ইমেজের পাশাপাশি তুলে ধরছে ব্যক্তি ইমেজও। পৌরসভায় দলীয় নির্বাচন হওয়ায় বসে নেই দলের নেতাকর্মীরা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: