মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
১৭ আগস্ট ২০১৭, ২ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

বিশ্বকাপে কেউ সাড়া না দেয়ায় ইসলামী ব্যাংকের টাকা নিতে হয় ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিশ^কাপ আয়োজনের সময় স্পন্সরশিপের জন্য বাংলাদেশের এমন কোন ব্যাংক নেই, যাদের কাছে অর্থ চাওয়া হয়নি। কেউ সেভাবে সাড়া দেয়নি। সব ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে ইসলামী ব্যাংকের টাকা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সোমবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় পরিকল্পনা কমিশনের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল বারকাত বলেছিলেন, ইসলামী ব্যাংকের টাকা নেয়ার জন্য লোটাস কামালকে দায়ী করেন। এ অভিযোগের ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য পরিকল্পনামন্ত্রী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

কেন ইসলামী ব্যাংকের টাকা নেয়া যায় এর ব্যাখ্যা দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অবৈধ কাজের কারণে এক ঘণ্টার জন্যও ইসলামী ব্যাংকের লাইসেন্স স্থগিত করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। মহৎ উদ্দেশ্যে টাকা নেয়া হয়েছিল। বিশ^কাপের আয়োজন বিশ^ মানচিত্রে বাংলাদেশকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। র‌্যাংকিংয়ে বিশ^কাপের অনুষ্ঠানটি দ্বিতীয় অবস্থানে।

মন্ত্রী জানান, ইসলামী ব্যাংকের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা নেয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দেড় কোটি কর হিসেবে কেটে রেখে বাকি টাকা ক্রিকেটে খরচ করা হয়। এছাড়া প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে ৫০ লাখ টাকার মতো নেয়া হয়েছিল। আর কোন ব্যাংক থেকে টাকা পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে ওই অনুষ্ঠান করতে ৩০ কোটি টাকার মতো খরচ হয়েছে। বাকি টাকা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজের টাকা খরচ করে।

তিনি বলেন, ‘চার বছর পর কেন তিনি (আবুল বারকাত) আমার সম্পর্কে এমন মন্তব্য করলেন, বুঝতে পারলাম না। বিভিন্ন সভায় তো ওনার সঙ্গে দেখা হয়েছে। তখন তিনি বলতে পারতেন, কামাল সাহেব, ইসলামী ব্যাংক খারাপ। বিশ^কাপের চার বছর পর ওনার মনে হলো, কাজটি ঠিক হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওনার দায়িত্ব হলো, ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কে কোন তথ্য থাকলে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করা। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজন মনে করলে ব্যবস্থা নেবে। তিনি আমাকেও তথ্য জানাতে পারেন। আমি তাকে সাহায্য করব’।

প্রকাশিত : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

১৫/১২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: