২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়ায় ধরা পড়েনি তাশফিনের ধর্মান্ধতা


পাকিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা ক্যালিফোর্নিয়া হত্যাকা-ে জড়িত তাশফিন মালিকের জীবন বৃত্তান্ত তিনবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছেন। তবে তিনি কোন বিষয়টি সামান্য লুকানো চেষ্টা করেছিলেন তা কেউই উন্মোচন করতে পারেননি। এটি হলো, সহিংস জিহাদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তিনি সেখানে বলেছেন, তিনি এটিকে সমর্থন করেন এবং এর অংশ হতে চান। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

মার্কিন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা সম্প্রতি এই পুরানো ও অগোচরে থাকা পোস্টগুলো খুঁজে পেয়েছেন। তারা তাশফিন ও তার স্বামী সৈয়দ রিজওয়ান ফারুকের জীবনের নানা ঘটনা একত্রে মিলিয়ে দেখে বোঝার চেষ্টা করছেন যে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর আমেরিকার মাটিতে তারা কিভাবে এই ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা পরিচালনা করলো। তাশফিনের এ পোস্টগুলো কয়েক বছর আগে খুঁজে পেলে তাকে হয়তো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দিত না কর্তৃপক্ষ। তবে অতীত জীবনবৃত্তান্ত পরীক্ষার অংশ হিসেবে অভিবাসন কর্মকর্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করেন না। তবে এ বিষয়ে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির অভ্যন্তরেই বিতর্ক রয়েছে যে, এমন পর্যবেক্ষণ ঠিক কিনা। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের খুঁজে পাওয়া পুরানো পোস্টগুলোতে যে তাৎপর্যপূর্ণ ও অনিবার্য বিষয় উন্মুক্ত করেছে, তা হলো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় বিদেশীদের পরীক্ষায় ত্রুটি। প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ কাজ করতে, ঘুরতে ও থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আসে। তাদের প্রত্যেকের বিষয়ে সম্পূর্ণ তদন্ত এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরীক্ষা করে দেখা অসম্ভব। সান বারনারদিনো ও প্যারিসে হামলার পর এই নিরীক্ষা ব্যবস্থা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রতিরক্ষার প্রধান দুর্বলতা হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের বিষয়ে, বিশেষ করে যারা সম্প্রতি ইরাক ও সিরিয়ার সফর করেছে, তাদের ক্ষেত্রে আরও কঠোরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়ে একমত হয়েছেন উভয় দলের আইনপ্রণেতারা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: