১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অব্যবহার অব্যবস্থাপনায় ধ্বংস হচ্ছে গলাচিপা ইউপি কমপ্লেক্স


স্টাফ রিপোর্টার, গলাচিপা ॥ চারদিকে ফসলের ক্ষেত। মাঝখানে বিশাল ভবন। প্রায় দেড় দশক আগে এ ভবনটি নির্মিত হলেও একদিনের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়নি। একদিকে অব্যবহৃত পড়ে থাকা। আরেকদিকে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি ক্রমেই ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে এর অধিকাংশ জানালা-কপাট চোরের দল খুলে নিয়ে গেছে। ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার খুলে পড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় লোকজন ভবনটিকে রীতিমতো গোয়ালঘর বানিয়ে ফেলেছে। দুর্বৃত্তরা রাতে ভবনটির অভ্যন্তরে বসাচ্ছে অসামাজিক কর্মকা-ের আসর। পটুয়াখালীর গলাচিপা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনটি এভাবেই ধ্বংস হতে চললেও যেন দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা ইউনিয়নের পরিষদ কমপ্লেক্স হিসেবে এ ভবনটি পটুয়াখালী জেলা পরিষদ প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে ১৯৯৮-৯৯ সালে নির্মাণ কাজ শুরু করে এবং ২০০২ সালে হস্তান্তর করে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উত্তর বোয়ালিয়া গ্রামে ভবনটি নির্মাণের সময়ে এলাকার লোকজন তীব্র আপত্তি তুলেছিল। এলাকাবাসী ভবনটি গলাচিপা ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণের দাবি করেছিল। কিন্তু তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তার সুবিধার জন্য এলাকাবাসীর মতামত উপেক্ষা করে নিজ বাড়ির কাছাকাছি এটি নির্মাণ করায়। কিন্তু পরবর্তী চেয়ারম্যানদের কেউ একদিনের জন্য ভবনটি ব্যবহার করেননি। তারা বরাবরই উপজেলা সদরের কার্যালয়ে বসে দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি সপ্তাহে একদিন প্রতি বৃহস্পতিবার ওই ভবনে অফিস করেন।

নিহতের মামাসহ গ্রেফতার ২

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু খুন

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজীপুর, ৩ নবেম্বর ॥ শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রথম শ্রেণীর এক শিশুকে জবাই করে খুন করার ঘটনায় পুলিশ নিহত ওই শিক্ষার্থীর মামাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া এলাকার নানার বাড়িতে স্কুলশিক্ষার্থী নাজনীন আক্তারকে(৭) গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় আব্দুল করিম, কাদেরসহ প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ হত্যাকা- ঘটানো হয়েছে। আর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নাজনীনের মামা রিপনকে ঢাকার রামপুরা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তিমতে একই এলাকা থেকে রবিউল নামের অপর একজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের হেফাজত থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত নাজনীন আক্তার(৭) শ্রীপুর উপজেলার চকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী এবং কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের মাইচ্চর এলাকার আক্কাছ আলীর মেয়ে।