২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

খুলনার মেয়র সাসপেন্ড


স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করেছে। সোমবার বিকেলে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’-এর ৬০ নম্বর ধারা অনুযায়ী এ আদেশ জারি করা হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনির বিরুদ্ধে নাশকতার দুটি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ায় ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’-এর ৬০ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রটি জানায়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির নামে খুলনা সদর থানায় ২০১৩ সালের ২৬ নবেম্বর ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়। যার নম্বর-১৯। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল ওই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। যার নম্বর-১০৪ ও ১০৪ (ক)। ২০১৪ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনা সদর থানায় তার নামে অপর একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়। যার নম্বর-৫। চলতি বছরের ৩১ মে ওই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। যার নম্বর-১৫৯। স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯ (২০০৯-এর ৬০ নং আইন) এর ধারা-১২ এর উপ-ধারা (১) মোতাবেক সিটি কর্পোরেশন মেয়রের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার অভিযোগপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্তের বিধান রয়েছে। ওই একই আইনের ১২-এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মনির কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। মনিরুজ্জামান মনি খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তার দলের মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অন্যায় এবং অযৌক্তিকভাবে মেয়রকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যে দুটি মামলায় গত এপ্রিল মাসে আদালতে চার্জশীট দেয়া হয়েছে তা মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক দমন নিপীড়নের মামলা। তাছাড়া আদালত কর্তৃক ওই চার্জশীট গ্রহণ করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানাও জারি হয়নি। সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।