২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নাটকের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে ॥ অনন্ত হীরা


অভিনেতা, নির্দেশনক অনন্ত হীরা। দীর্ঘদিন ধরে দেশের মঞ্চকে আলোকিত করছেন। সংগঠন প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদলের পাশাপাশি অন্য সংগঠনকেও সক্রিয় রেখে চলেছেন। শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে সংকেত নাট্যমেলার শেষ দিনে আজ সন্ধ্যাায় মঞ্চায়ন হবে তাঁর নির্দেশিত ও অভিনীত শব্দ নাট্যচর্চার নাটক ‘তৃতীয় একজন’। এ সম্পর্কে তাঁর সঙ্গেকথা হয় ।

‘তৃতীয় একজন’ নাটক সম্পর্কে বলুন

অনন্ত হীরা: আমি গেস্ট ডিরেক্টর হিসেবে নাটকটিতে কাজ করেছি, একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ও করেছি। শব্দ নাট্যচর্চার ২১তম প্রযোজনার এ নাটকটি লিখেছেন সমীর দাশগুপ্ত। এতে দুটি চরিত্র। তবে একটি কাল্পনিক চরিত্রকে এর মধ্যে ছায়ার মতো আনা হয়েছে। মূলত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার বিভিন্ন রকম সম্পর্ক ফুটে উঠেছে এতে।

নাটকটির কেমন সাড়া পেয়েছেন?

অনন্ত হীরা: ইতোমধ্যে নাটকটির ১৮টির মতো প্রদর্শনী হয়ে গেছে। এ মাসের শেষের দিকে দেশে ও বিদেশে এর ৭টির মতো প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ভারতেই ৩টি নাট্যোৎসবে নাটকটি মঞ্চায়ন হবে।

নতুন নাটক সম্পর্কে কিছু বলুন

অনন্ত হিরা : আমাদের দল থেকে এবার ৩টি নাটক মঞ্চে আনার পরিকল্পনা করেছি। এর মধ্যে অপূর্ব কুমার কু-ুর ‘দাঁড়াও পথিক বর’ নাটকটির কাজ শুরু হয়েছে। নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনী নিয়েই রচিত।নাটকটির নির্দেশনা আমার।

মঞ্চের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে আপনার বক্তব্য কী?

অনন্ত হিরা : মঞ্চের অনেক কাজ হচ্ছে। দর্শক সঙ্কট দেখা দিয়েছে এটা স্বীকার করতে হচ্ছে। রাজধানীর কথাই ধরা যাক। নাট্যচর্চার কেন্দ্রবিন্দু শিল্পকলা একাডেমি। মানসম্মত নাটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় কারণে দর্শক কষ্ট করে মিলনায়তনে নাটক দেখতে আসছে না।

এর থেকে উত্তরণের পথ কী?

অনন্ত হিরা : সচেতন সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের যেমন দায়বদ্ধতা আছে, তেমনি নাট্যাঙ্গনে যারা আছেন তাদেরও দায়বদ্ধতা কম নয়। নাটক উপযোগী মঞ্চের সংখ্যা বাড়াতে হবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মঞ্চ তৈরি করে নতুন নতুন নাটক দর্শকদের উপহার দিতে হবে। মানসম্মত ভাল নাটক তৈরি করা জরুরী। যেটা দেখে দর্শক আবার মঞ্চাভিমুখী হবেন।

মঞ্চ নাটকের ক্ষেত্রে প্রতিকূলতা অনুভব করেন?

অনন্ত হিরা : প্রতিকূলতা অনুভব করি। আমাদের দেশে এখনও উন্নতমানের মঞ্চ গড়ে ওঠেনি। নাটক নির্মাণ করতে গেলে যে সাজ-সরঞ্জাম লাগে বলতে গেলে তার কোনটাই আছে বলে মনে হয় না। সরকারী ও বেসরকারীভাবে কোন পৃষ্ঠপোষকতা নেই। এখন আমাদের দেশে অনেক মোবাইল ফোন কোম্পানি হয়েছে তাদের কাছে মঞ্চ নাটকের জন্য স্পন্সর চাইলে তারা দিতে চান না। অথচ অন্য বিষয়ে তারা সাহায্য করে থাকে।

আপনার চলচ্চিত্র সম্পর্কে কিছু বলুন?

অনন্ত হিরা: ইতোপূর্বে ‘ও আমার দেশের মাটি’ নামে আমার একটি চলচ্চিত্র বেশ সাড়া জাগিয়েছে। আমি বিভিন্ন মহলে খোঁজ নিয়ে দেখেছি দর্শকরা পছন্দও করছে। আমি আর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছি। চলািচ্চত্রটির নাম ‘পতাকা পাগল’। এরমধ্যে দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ সব কিছুর সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা আছে আমার।

-গৌতম পাণ্ডে

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: