২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বিদেশী বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ড তৈরির সুযোগ হবে


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দীর্ঘ ৬৮ বছরের পুরনো ‘বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নিয়ন্ত্রণ আইন’ সংশোধনের ফলে দেশের বাইরে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে দেশীয় উদ্যোক্তাদের। এতে করে রেমিটেন্সের হার বাড়াসহ আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ড তৈরির সুযোগ হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার পাশাপাশি ব্যক্তি খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগে সরকারের তদারকি জোরালো করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

গত কয়েক বছর ধরেই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে দেশে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক নয় পাঁচ শতাংশ। অথচ গত অর্থবছরে তা নেমে এসেছে মাত্র ৩ দশমিক সাত চার শতাংশে। আর এর জন্য শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা, বিদ্যুত সঙ্কট, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দুর্বলতাকেই দায়ী করছেন দেশীয় বিনিয়োগকারীরা।

এমন পরিস্থিতিতে গত সেপ্টেম্বরে ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছে সরকার।

শেয়ার বাজারের সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সোমবার দুপুরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন। এসময় বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর এক্সোপোজার লিমিট কমিয়ে আনার কারণে বাজারে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। এর কারণে বাজারে পতন হচ্ছে।

এছাড়াও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের ইক্যুইটির ২৫ শতাংশ বিনিয়োগের নিয়ম বাতিল করে আমানতের ১০ শতাংশ করা, পুঁজিবাজার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আইপিও বন্ধ রাখা, বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রশীদ চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগসীমা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার কারণে বাজারে টানা পতন হচ্ছে। কিন্তু এই অবস্থা উত্তরণে কেউ এগিয়ে আসছে না। আমাদের দাবি বিনিয়োগ সীমা নিয়ে আমানতের ১০ শতাংশ পুনর্বহাল করতে হবে।