২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রাজশাহীতে কৃত্রিম দাঁত তৈরির ল্যাব ॥ দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ অনুমোদন ছাড়াই নগরীর উপশহর আবাসিক এলাকায় দাঁত ও মাড়ি তৈরির ল্যাব করা হয়েছে। ‘রাজশাহী ডেন্টাল ল্যাব’ নামে ওই কারখানায় তৈরি করা হয় কৃত্রিম দাঁত ও মাড়ি। এতে কেমিক্যালের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী সম্প্রতি রাজশাহী সিভিল সার্জন বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়া পরিবেশ অধিদফতরেও অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, নগরীর উপশহর হাউজিং এস্টেট ২ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর রোডের ২২ নম্বর বাসার নিচতলায় ল্যাবে তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম দাঁত ও মাড়ি। এলাকাবাসী অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেনÑ কেমিক্যালের গন্ধে আশপাশের বাড়িগুলোতে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। আবাসিক এলাকায় এমন ল্যাব স্থাপন কতটা ঠিক, তা ক্ষতিয়ে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই ল্যাবে নিম্নমানের সরঞ্জামাদি ও কেমিক্যাল দিয়ে দাঁত ও মাড়ি তৈরি করা হয়ে থাকে। এতে সাধারণ মানুষও প্রতারিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয় ওই অভিযোগে।

ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় যে, বাড়িটির নিচতলায় কৃত্রিম দাঁত তৈরি করা হয়। সেখানে হামজা ও আশরাফুল নামে দুই কর্মচারী এ কাজ করে থাকেন। হামজা ও আশরাফুল জানান, ল্যাবটির নাম ‘রাজশাহী ডেন্টাল ল্যাব’। তারা ল্যাবের নাম বললেও বাড়িটির বাইরে কোন সাইনবোর্ড নেই।

ওই দুই কর্মচারী জানান, ল্যাবটির স্বত্বাধিকারি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান ডা. নাহিদ খুররম চৌধুরীর। ল্যাবটির সবধরনের বৈধ কাগজপত্র আছে বলে তারা দাবি করেন। ডেন্টাল বিভাগের শিক্ষার্থীরা এখানে ব্যবহারিক ক্লাসও করেন বলে জানা গেছে।

এদিকে কেমিক্যালের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ওই দুই কর্মচারী জানান, ল্যাবে যে ধরনের কাজ হয় তাতে কেমিক্যালের গন্ধ বাইরে ছড়িয়ে পড়ার কথা নয়। সাধারণত বিভিন্ন পাউডার মিশিয়ে এখানে দাঁত ও মাড়ি তৈরি করা হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে ল্যাবটির মালিক ডা. নাহিদ খুররম চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতে চাইলে তিনি সরাসরি কথা বলার জন্য অনুরোধ করে তার ফোন বন্ধ করে দেন। রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সোবহান জানান, এ বিষয়ে তার কাছে একটি অভিযোগ আছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। উর্ধতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।