মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৬ আশ্বিন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

মিসবাহর শেষ ম্যাচ

প্রকাশিত : ১ নভেম্বর ২০১৫
মিসবাহর শেষ ম্যাচ

ইঙ্গিতটা আগেই দিয়েছিলেন। আরব আমিরাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজটাই হবে তার শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ। ভক্তরা তবু আশায় ছিলেন। খোদ পিসিবি প্রধান অনুরোধ জানিয়েছিলেন অন্তত বছর দেড়েক খেল যান। কিন্তু সেটি আর হলো না। শারজায় আজ থেকে শুরু হওয়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টই হবে পাকিস্তান অধিনায়কের ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে এটি নিশ্চিত করেছেন ৪১ বছর বয়সী মিসবাহ-উল হক। তিনি বলেন ‘অনেক ভেবেছি, শারজার টেস্টটিই হবে আমার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বোর্ডের অনুরোধ নিয়ে অনেক চিন্তা করেছি। কিন্তু পাকিস্তানের পরবর্তী সিরিজের মধ্যে এখনো অনেক সময় বাকি। সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে বিদায় নিতে পারাটা বড় ব্যাপার। অনেকের ভাগ্যেই এটা হয় না। পাকিস্তানের হয়ে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। মাঠে থাকব না, কিন্তু আমার মন পড়ে থাকবে পাকিস্তানের সঙ্গে।’ একদিন আগে মিসবাহকে অনুরোধ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রধান শাহরিয়ার খান বলেন, ‘মিসবাহকে অবসরের সিদ্ধান্তটা দুই-এক বছরের জন্য পেছাতে বলেছি। আমরা মনে করি, অধিনায়ক ও সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে তার উপস্থিতি আগামী বছর ইংল্যান্ড ও এরপর অস্ট্রেলিয়া সফরে পাকিস্তান দলের জন্য খুবই মূল্যবান হবে।’

বিষয়টা স্বীকার করে মিসবাহ বলেছিলেন, ‘এটা কঠিন সিদ্ধান্ত, তাই আমি অনেক বিষয় বিবেচনা করছি। বিশেষত দলের জন্য কতটা অবদান রাখা সম্ভব আমি নিজেকে বিশ্লেষণ করব, দেখব কতদূর যেতে পারি।’ আপেক্ষা করতে হলো না, সিদ্ধান্তটা নিয়ে নিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ২০১৬-২০১৭ মৌসুমে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। ওই সফর এখনো অনেক দূরে হওয়ায় অবসরের জন্য প্রিয় আমিরাতকেই বেছে নিলেন মিসবাহ। মিসবাহর অবসরটা ভক্তদের আরও বেশি করে কষ্ট দেবে। কারণ ৪২ ছোঁয়া বয়সে ব্যাট হাতেÑনেতৃত্বে দারুণ সময় পার করছিলেন তিনি। শেষ হওয়া দুই টেস্টের চার ইনিংসে করেছেন ৩, ৫১, ১০২ ও ৮৭ রান! সম্মানের সঙ্গে বোঝাতে হয়ত ফর্মটাকেই বুঝিয়েছেন।

পাকিস্তান ক্রিকেট থেকে সম্মানের সঙ্গে বিদায় নেয়া বিরল ঘটনা। দেশটির অনেক বিখ্যাত ক্রিকেটারকেও সমালোচনা সঙ্গী করে সরে যেতে হয়েছে। অনেককে আবার মাঠের বাইরে থেকে। মিসবাহ পাকিস্তানের সফল টেস্ট অধিনায়ক। তার নেতৃত্বে দেশটি এ পর্যন্ত ১৯টি টেস্ট ম্যাচ জিতেছে। গত বিশ্বকাপ খেলে রঙিন পোশাকের ওয়ানডেকে বিদায় জানিয়ে খেলছেন কেবল টেস্টে। অধিনায়ক হিসেবে ৪১ টেস্টে ৫৬.৭৫ গড়ে রান তুলে দারুণ সফল। সাদা পোশাকে ৬০ ম্যাচে ৪৮.৭৭ গড়ে করেছেন ৪২৪৩ রানÑ সেঞ্চুরি ৯, হাফ সেঞ্চুরি ৩১টি।

প্রকাশিত : ১ নভেম্বর ২০১৫

০১/১১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: