মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

সিল্ক খাতকে দু’বছরে ৫শ কোটি টাকার সেক্টর উন্নীত করতে চায় এফবিসিসিআই

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর ২০১৫, ০৭:৩২ পি. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী দুই বছরে মধ্যে সিল্ক খাতকে ৫শ কোটি টাকার সেক্টরে পরিনত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। তাই এখাতের উদ্যোক্তাদের একশ’ কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হবে। এছাড়া এই খাতের উন্নয়নের জন্য শিগগিরই একটি ওয়ার্কিং কমিটি করা হবে বলে জানান এফবিসিসিআই’র সভাপতি আব্দুল মতলুব আহমদ।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনে ‘বাংলাদেশের সিল্কের রফতানি সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) ও দ্য ফ্রেডরিচ নাউমান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম (এফএনএফ) বাংলাদেশ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

মতলুব আহমদ বলেন, এখাতের সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের সুনাম আর ঐহিত্য। বর্তমানে মাত্র সাড়ে ৭ কোটি টাকা খাত। তবে, এর রয়েছে অনেক সম্ভাবনা। সবাই মিলে কাজ করলে ২০১৭ সালের জুন মাসের আগামী দুই বছরে মধ্যে সিল্ক খাতকে ৫শ কোটি টাকার সেক্টরে পরিনত করা যাবে।

তিনি বলেন, সিল্ক খাতের উন্নয়নের জন্য একশ কোটি টাকার ফান্ডের (ব্যাংক ঋন) ব্যবস্থা করা হবে। আগ্রহী বিনিয়োগকারীদেরকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান মতলুব আহমদ।

সভাপতির বক্তব্যে এফবিসিসিআই’র প্রথম সহ-সভাপতি ও বিজিএমই’র সাবেক সভাপতি শফিউল আলম মহিউদ্দিন বলেন, সিল্ক শুধু একটা পন্য পন্য নয়, এটা ‘কান্ট্রি ব্রান্ডিং’ও করে। আর সিল্কের তৈরি পোশাক রফতানি করতে হলে সবার আগে তৃণমূলে সহায়তা বাড়াতে হবে।

বিজিএমই’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সিল্ক খাতের উন্নয়নে এই খাতের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, আমাদের পণ্যের সাথে আপনাদের পণ্য রেখে ক্যাটালগ তৈরী করবো। ভালো মানের পণ্য বানাতে পারলে সিল্ককে বাংলাদেশের আরেকটি ব্র্যান্ডিং হিসাবে দাঁড় করানো যাবে বলে মনে করেন তিনি।

মূল প্রবন্ধে এফএনএফ’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটিভ ড. নাজমুল হোসাইন বলেন, বিশ্বের প্রায় ৮১ শতাংশ সিল্কের উৎপাদনকারী চীন, ভারত উৎপাদন করে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেখানে বাংলাদেশের উৎপাদন মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। যা প্রায় ২৪ মেট্রকটন। তবে এক উদ্যোক্তা বলেন, মূলত বাংলাদেশের উৎপাদন বছরে আড়াই থেকে তিন মেট্রিকটন।

নাজমুল হোসাইন বলেন, সিল্ক আমদানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে ভারত ও চীন।

তাই বাংলাদেশের সিল্ক খাতের উন্নয়নের জন্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি বাড়ানোরও তাগিদ দেন তিনি। এজন্য বিনিয়োগ বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, আধুনিক নকশা এবং বিপনন ব্যবস্থা আরও উন্নত করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর ২০১৫, ০৭:৩২ পি. এম.

০১/১১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ:
রোহিঙ্গা সমস্যার সৃষ্টি মিয়ানমারের ॥ সমাধান ওদের হাতে || বাবার ফেরার অপেক্ষায় পিতৃহারা অবোধ রোহিঙ্গা শিশুরা || বছরে রফতানি আয় বাড়ছে ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার || চালের বাজারে স্বস্তি প্রতিদিন দাম কমছে || বিদ্যুতের পাইকারি দর ১১.৭৮ ভাগ বৃদ্ধির সুপারিশ || মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধ নির্ভর করছে নিরাপত্তা পরিষদের ওপর || রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য সেবায় ২৫ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ || আরও মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক || অপকৌশলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা, বিপুল অর্থ আদায় || জেলে মাদক ও মোবাইল ফোন ব্যবহার ॥ সারাদেশে দুই শতাধিক কারারক্ষী গোয়েন্দা নজরদারিতে ||