১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অ্যামনেস্টির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান প্রয়োজন


অনলাইন রিপোর্টার ॥ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রশ্নবিদ্ধ করতে ও থামিয়ে দিতেই বিতর্কিত করা হচ্ছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কার‌্যক্রমের অনুসন্ধান চালানো উচিত। এ মন্তব্য ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ড. এম এ হাসানের। শনিবার রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা’ বিষয়ে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন। গোলটেবিল বৈঠকটির আয়োজন করে রিজিওনাল অ্যান্টি টেরোরিস্ট রিচার্স ইনস্টিটিউট (রাত্রি)।

ড. হাসান বলেন, অ্যামনেস্টি মহাসচিব আইরিন চলে যাওয়ার পর তারা কেনো এ ভূমিকায় গেলো তার অনুসন্ধান করা দরকার। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মেজবাহ কামাল বলেছেন, অ্যামনেস্টি ডলারের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাদের কার‌্যক্রম খতিয়ে দেখতে হবে। যুদ্ধাপরাধের বিচার কেনো এতো প্রয়োজন তা স্পষ্ট করা দরকার উল্লেখ করে ড. হাসান বলেন, আমরা বোঝাতে পারিনি, ন্যায় ও সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতেই এ বিচার। এই সরকার ক্ষমতায় না এলে বিচার হতো না। আর বর্তমান সরকার না থাকলে বিচারের রায় বাস্তবায়িত হবে কিনা- তা প্রশ্নসাপেক্ষ। তারা (যুদ্ধারাধী পক্ষ) লবিস্ট নিয়োগ করতে পারে, সরকার কি লবিস্ট নিয়োগ করতে পারে না? প্রশ্ন রাখেন ড. হাসান। ড. হাসান আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মিশনগুলোতে আলাপ-আলোচনা হয় যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও মতিউর রহমান নিজামীর পক্ষে। তারা সরকার, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকে কোণঠাসা করতে চায়। কোণঠাসা করতে পারলেই বিচার হবে না।

বৈঠকের শুরুতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাত্রি’র নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)। সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা অহিদ। মূল প্রবন্ধে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার ব্যবস্থা বিতর্কিত করা এবং দুই বিদেশি হত্যাকাণ্ডসহ দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার প্রতিবাদ করা হয়। একইসঙ্গে রায় বাস্তবায়ন ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়েও সরকারের কাছে সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: