২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

ঝালকাঠিতে কৃষকরা ফসলে বিষ-কচুর রস স্প্রে


নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝালকাঠি॥ ঝালকাঠি জেলার ৪টি উপজেলা পাতা মোড়ানো পোকার ব্যপক আক্রমন দেখা দেয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শ মত কৃষকরা ভিরতাকো, নাইট্রো, ও এসিসেক্স জাতীয় কীটনাশক প্রয়োগ করলেও কাঙ্খিত সুফল পায়নি। এছাড়াও আলোর ফাঁদ, ধান ক্ষেতে ডাল পুঁতে পাখি বসার সুযোগ করে দিয়েছে যাতে পাখিরা পোকা মাকর ক্ষেয়ে দমন এবং রশিতে কেরোসিন তেল মেখে জমিতে ধানের পাতার উপর টেনে পোকা দমনের পদ্ধতি গ্রহন করেছে। এতে পোকা কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আসলেও সর্বশেষ কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের মহা-পরিচালক মো: হামিদুর রহমান জেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের উপ-পরিচালকদে পাতা মোড়ানো পোকা দমনের জন্য এসএমএস ও ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছে। এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে গ্রাম গঞ্জে আগাছা হিসেবে জন্ম নেয়া বিষ-কচুর পাতার রস পানির সথে মিশিয়ে স্পেরে করলে পোকা দমন ও মারা যাবে। কৃষকরা এই রস করে মাঠে স্প্রে করার পরে কীটনাশককে হার মানিয়ে ভেষজ এই রস কৃষকদের খেতে কোরামিনের মত কাজ করেছে। এই বিষ-কচুর রস স্প্রে করার পর মাঠের পোকা দমন নিয়ন্ত্রিত পর্যায় চলে এসেছে। কৃষকরা এখন সুফল পেয়ে আনন্দিত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মহা-পরিচালকের এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছে। বিশ কচুর পাতার রস স্প্রে করার ফলে কৃষকদের কিটনাশকের খরচও কমেছে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিড়ি ইউনিয়নের যোগেশ্বর গ্রামের কৃষক ইমাম মোল্লা জানান সে তার খেতে বিশ কচুর রস স্প্রে করে পোকা দমন করতে পেরেছে। একই ইউনিয়নের ছত্রকান্দা গ্রামের কৃষক দুলাল হাওলাদার জানান সেও বিশ কচুর রস ব্যবহার করে সুফল পেয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: