২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

লেখক এর কথা


তাসমানিয়ান লেখক পাঠক উৎসব

অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখ- থেকে ২৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান কমনওয়েলথের দ্বীপরাজ্য তাজমানিয়া। আর সেখানেই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ২০১৫ সালের তাজমানিয়ান লেখক-পাঠক উৎসব। দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এ উৎসব। লেখালেখির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যেসব উপাদান জড়িত থাকতে পারে, সেসবের প্রায় সবই অনুষ্ঠিত হয় এখানে। লেখক-পাঠকদের মধ্যে মতামত বিনিময়ের একটা দারুণ সুযোগ তৈরি হয় এ উৎসবে। লেখকরা নিজেদের লেখা থেকে পড়ে শোনান নির্বাচিত অংশ। পাঠকদের অনুরোধে প্রিয় লেখকরা অটোগ্রাফ দেন। লেখক-পাঠকরা অংশগ্রহণ করতে পারেন বিভিন্ন কর্মশালা ও আলোচনায়। এছাড়া এ উৎসবের বড় আকর্ষণ হলো সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় পুরস্কার প্রদান। যেহেতু দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এ উৎসব, লেখক-পাঠক ও অংশগ্রহণকারী অন্য পেশা বা পরিচয়ের মানুষ অধীর অপেক্ষায় থাকেন এ সময়টির জন্য। শিল্প-সাহিত্যের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত এসব ঘটনার সঙ্গে চলে প্রিয় খাবারের আয়োজন। আরও থাকে পানীয় উৎসব। অন্যান্যবারের মতো এবারও উৎসবটির আয়োজনে ছিল তাজমানিয়ান রাইটার্স সেন্টার।

বাসিল এইচ জনস্টন আর নেই

কানাডার লেখক, গল্পকার, ভাষাবিদ ও প-িত বাসিল এইচ জনস্টন আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। কানাডার আদিবাসীদের ভাষা আনিশিনাবল রক্ষায় তিনি ছিলেন বেশ সচেষ্ট। জনস্টনকে স্মরণ করে তাঁর সমসাময়িক শিশুসাহিত্যিক, ক্রি নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক টমসন হাইওয়ে বলেন, ‘জনস্টনের মতো মানুষ আমাদের সামনে না থাকলে আমরা, বর্তমান সময়ের লেখকরা, যা কিছু লিখতে পারছি সেসব কিছুই সম্ভব হতো না।’ অন্যদিকে আনিশিনাবল ভাষার গবেষক হেডেন কিং বলেন, ‘জনস্টন ছিলেন আনিশিনাবল ভাষার এক বিশাল মহীরূহ। আমাদের জন্য তিনি রেখে গেছেন অঢেল উত্তরাধিকার।’

মূলত সত্তরের দশক থেকে জনস্টনের লেখালেখি প্রকাশ হতে থাকে। নিজের একক লেখনী ছাড়াও তাঁর অনেক লেখা স্থান পেয়েছে বিভিন্ন সঙ্কলিত গ্রন্থে। আনিশিনাবল ভাষার ইতিহাসও লিখেছেন তিনি বেশকিছু। তাঁর প্রকাশিত পাঁচটি বই তিনি লিখেছেন আনিশিনাবলের শাখা ওজিবুইয়েতে। জীবনে অনেক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন জনস্টন।

ন্যাশনাল মেডেল অব আর্ট প্রদান

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রদান করা হলো যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মেডেল অব আর্ট পুরস্কার। শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা জাতীয় পর্যায়ে সমর্থন দিয়েছেন, পারদর্শিতা দেখিয়েছেন কিংবা শিল্প-সাহিত্যের প্রসারে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। ব্যক্তি কিংবা দলের জন্য এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় হোয়াইট হাউসে। অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাও। মোট ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে এবারের পুরস্কার। জন বালডেসারিকে দেয়া হয়েছে তাঁর ভিজ্যুয়াল আর্টের জন্য। নাট্যনির্দেশনা ও নৃত্যের জন্য পেয়েছেন পিং চং। অভিনেত্রী হিসেবে পেয়েছেন মিরিয়াম কোলন। সারাদেশে সৃষ্টিশীল প্রচারণার পক্ষে কাজ করার জন্য পেয়েছে দ্য ডোরিস ডিউক চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন। এ সময়ের জনপ্রিয় লেখকদের অন্যতম স্টিফেন কিং এ পুরস্কার পেয়েছেন তাঁর অনন্য লেখনীর জন্য।

অঞ্জন আচার্য