২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জা না-অ জা না


পঞ্চ নয়

মানুষের ইন্দ্রিয় একটাই!

এতদিন জানা ছিল পাঁচ ইন্দ্রিয়ের শক্তিতে বলীয়ান হয় প্রাণী জগতের সবচেয়ে অনুভূতিশীল প্রাণী মানুষ। ভাবছেন এ আবার কী নতুন কথা। কেন এত গৌরচন্দ্রিকা করছি। তবে সবুর করুন। জানার এখনও অনেক বাকি। পঞ্চ ইন্দ্রিয় নয়, মাত্র একটি ইন্দ্রিয়েরই অধিকারী মানুষ। এক মার্কিন গবেষকের সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমীক্ষায় দেখা গেছে, চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, ত্বক এবং জিহ্বা, আলাদা আলাদা কোন ইন্দিয় নয়, একই সিস্টেমের অঙ্গ।

আমেরিকার ব্রান্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ত্বের প্রফেসর ডন কাত্জ ইঁদুরদের উপর গবেষণা চালান। ইঁদুরদের ঘ্রাণ এবং স্বাদ, এই দুই ইন্দ্রিয়ের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা চালান।

বছর ছয়েক ধরে তিনি তাঁর গবেষণা চালিয়েছেন। ২০১১ সালে একটি গবেষণা পত্রে তিনি দাবি করেন, খাদ্যের জন্য স্বাদ এবং ঘ্রাণ- দুই ইন্দ্রিয়ের উপর সমান সমানভাবে নির্ভরশীল ইঁদুর। সম্প্রতি একটি জার্নালে কাত্জ দেখিয়েছেন, কী হয় যদি ইঁদুরের স্বাদেন্দ্রিয়র কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়া হয়। একটি অপ্টিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে ইঁদুরের মস্তিষ্কের ‘প্রাইমারি অলফ্যাক্টরি কর্টেক্স’-এর কার্য ক্ষমতা নষ্ট করে দেন। যার ফলে ইঁদুরগুলোর ঘ্রাণ ব্যবস্থা তছনছ হয়ে যায়। এর ফলে গণেশ ঠাকুরের বাহনের মস্তিষ্কের ছোট ছোট স্নায়ুর কাজে বদল ঘটে। চিরাচরিত গন্ধও চিনতে পারে না ইঁদুরগুলো।

ওই মার্কিন গবেষকের দাবি, ইঁদুরের মস্তিষ্কের মতো মানব মস্তিষ্কেও ইন্দ্রিয়গুলো আলাদা নয় বরং একই সিস্টেমের অঙ্গ।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা