১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

ভুল করলে অনেক সময় লাভও হয়


ভুল করলে সবসময় যে ক্ষতির কারণ ঘটে তা নয়। ভুলের ভাল দিকও আছে। তাই বলা হয় ভুল বা ব্যর্থতা সাফল্যের চাবিকাঠি। বলা হয় ব্যর্থতাই সর্বোত্তম শিক্ষক। এম আর আই এর এক নতুন গবেষণায়ও দেখা গেছে যে, ভুল বা ব্যর্থতার একটা লাভজনক দিকও আছে। কারণ মস্তিষ্ক ভুল থেকেই শেখার সুযোগ পায়।

মানুষের মস্তিষ্ক দুভাবে শিখে। এক, শিখার কাজ পরিহার করে। এটা একটা শাস্তিদায়ক, নেতিবাচক অভিজ্ঞতা যার মধ্যদিয়ে মস্তিষ্ক ভুলের পুনরাবৃত্তি এড়াতে শিখে। অন্যটি হলো লাভভিত্তিক শেখা এটা একটা ইতিবাচক অভিজ্ঞতা যেখানে মস্তিষ্ক মনে করে যে সঠিক উত্তরটি বের করার জন্য সে পুরস্কৃত হচ্ছে বা তার লাভ হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন যে ভুল করলেও পুরস্কৃত হওয়ার মতো অনুভূতি হতে পারে যদি মস্তিষ্ককে ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ার এবং বিকল্প পক্ষগুলো মূল্যায়ন করে দেখার সুযোগ দেয়া হয়।

একদল আন্তর্জাতিক গবেষক এম আর আই -এর এক নতুন গবেষণা চালিয়ে দেখতে পেয়েছেন যে, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়ার সুযোগ থাকলে সেটাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতায় পরিণত করা যায়। গবেষক দলের অন্যতম সদস্য জিওর্গিও কোরিসেলি বলেন, কোন কোন পরিস্থিতিতে যখন আমরা আমাদের পছন্দের বিষয়গুলোকে বর্ণনা প্রাসঙ্গিক করে তোলার মতো পর্যাপ্ত তথ্য পাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক শেখার ব্যাপারটা পরিহার করার দিকে না ঝুঁকে বরং শেখার কাজটা জোরদার করার দিকে অগ্রসর হয়।

গবেষণার জন্য গবেষক দলটি মোটামুটি ২৬ বছর বয়সী ২৮ ব্যক্তিকে নিয়োগ করে। তাদের কিছু প্রশ্নমালা দিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া হয় যে সঠিক উত্তর দিলে তাদের লাভ হবে সর্বোচ্চ। এক্ষেত্রে ভুল উত্তর দিলে তাদের অর্থ খোয়া যাবে আর সঠিক উত্তর দিলে অর্থ প্রাপ্তি ঘটবে। একটি পরীক্ষায় তাদের মস্তিষ্ক শেখার ব্যাপারটা পরিহার করে ভুল উত্তর দিলে উদ্দীপ্ত হয়। দ্বিতীয় পরীক্ষায় মস্তিষ্ক পুরস্কারভিত্তিক শেখার ব্যাপারে উদ্দীপ্ত হয়। তৃতীয় অথচ পৃথক এক পরীক্ষায় দেখা হয় যে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে কিনা এবং তাদের কোথায় ভুল হয়েছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে কিনা। এই তৃতীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা ইতিবাচক জবাব দিয়েছে। তাদের মস্তিষ্কের সেসব স্থান সক্রিয় হয়েছে সেটাকে বিজ্ঞানীরা রিওয়ার্ড সার্কিট বলে থাকেন।

সূত্র : লাইফ সায়েন্স

স্মার্ট রিং

প্রজেক্টর কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট স্ক্রিনে তথ্য বা ছবি প্রদর্শনের দিন বোধ হয় শেষ। আঙ্গুলের সঙ্গে যুক্ত ‘স্মার্ট রিং’ কাজে লাগিয়েই সামনের দেয়ালকে ভার্চুয়াল স্ক্রিনে রূপান্তর করা যাচ্ছে এখন। একাধিক সেন্সর সুবিধার ডিভাইসটি আঙুল দিয়েই নাড়াচাড়া করে স্মার্ট লাইটসহ বিভিন্ন ডিভাইসও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। দাম ১৪৯ ডলার।