২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রামুর বৌদ্ধবিহারে ১০ দেশের প্রতিনিধি


এইচএম এরশাদ, কক্সবাজার ॥ সাগর আর পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ এবং পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কক্সবাজার সফরে আসা ১০টি দেশের পর্যটনমন্ত্রীসহ ১৭ প্রতিনিধি বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছেদ্য সমুদ্র সৈকত এবং এক শ’ ফুট সিংহ শয্যা গৌতম বুদ্ধের মূর্তি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। বুধবার বিকেলে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে তাঁরা কক্সবাজার এসে সাগরের বুকে সূর্যাস্ত অবলোকন করেন এবং সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান। প্রতিনিধি দলটি বৃহস্পতিবার সকালে রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ঐতিহাসিক স্থান, বিহার ও মন্দির পরিদর্শন করে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত পরিদর্শনকালে মন্তব্য করতে গিয়ে ভুটানের পর্যটনমন্ত্রী লেউনফু নরভো ওয়াংচুক বলেন, জীবনে পৃথিবীর অনেক সৈকত দেখেছি-কিন্তু কক্সবাজারের মতো এমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সৈকত আর দেখিনি। বৃস্পতিবার সকালে প্রতিনিধি দল রামু বৌদ্ধবিহার পরিদর্শনে যায়। রামুর বৌদ্ধ ঐতিহ্যকে পর্যটনস্থান হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন এবং সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে পর্যটনসমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করতে হবে বাংলাদেশকে। পর্যটক আকর্ষণের জন্য বৌদ্ধ পুরাকীর্তির নিদর্শনকে বিশ্বের কাছে পরিচয় ঘটাতে হবে। ইতোমধ্যে রামু বৌদ্ধ নিদর্শনসমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা রামুর বৌদ্ধ নিদর্শন দেখে এমন কথা বলেন। রাশেদ খান মেননসহ ১০ দেশের পর্যটনমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ সকাল সাড়ে ৭টায় রামুর উত্তর মিঠাছড়ি বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র ও এক শ’ ফুট সিংহ শয্যা গৌতম বুদ্ধমূর্তি পরিদর্শনে আসেন। ওই সময় একুশে পদকপ্রাপ্ত উপ-সংঘরাজ প-িত সত্যপ্রিয় মহাথের, কক্সবাজার-৩ আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, ১০ পদাতিক ডিভিশন রামু সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সরওয়ার হাসান, ৫৬ ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মঈনুদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, ইউএনও সেলিনা কাজী ও মিঠাছড়ি বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ভিক্ষু করুনাশ্রী থের অতিথিদের স্বাগত জানান। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন- জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) মহাসচিব তালেব রাফাই, আফগানিস্তানের পর্যটনমন্ত্রী আবদুল বারী জাহিনী, ভুটানের পর্যটনমন্ত্রী লেউনফু নরবো ওয়াংচুক, কম্বোডিয়ার পর্যটন উপমন্ত্রী টপ সু পেক, চীনের জাতীয় পর্যটন কার্যালয়ের পরিচালক লি কুয়ানগো, ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক পরিচালক (এনই) শেরাভাট সঞ্জয়, ভিয়েতনামের পর্যটন কর্পোরেশনের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ট্রান ডিন থান, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত হরি কুমার শ্রেষ্ঠা, আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত আবদুর রহিম ওরাজ ও ভুটানের রাষ্ট্রদূত পেমা চোডেন।