২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বিচারকের সঙ্গে ‘কানকথা’ ফাঁসলেন শিক্ষা কর্মকর্তা


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ আদালত চলাকালীন এজলাসে উঠে বিচারকের কানে কানে কথা বলার চেষ্টা করায় ফেঁসে গেছেন জেলার চারঘাট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মীর মামুন। অশালীন আচরন করায় তাকে হাতকড়া পরিয়ে অদালত চলাকালীন কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আদালত মুলতবি পর্যন্ত তাকে কাঠগাড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখার নির্দেশ দেন রাজশাহীর আমলী আদালত-৫-এর বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ছানাউল্লাহ।

আদালত সূত্র জানায়, চারঘাট উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ৬ মাস আগে যৌতুকের একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে আদালতে জমা দিতে বলা হয়। তবে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে প্রতিবেদন আদালতে জমা না দেয়ায় আদালত তাকে তলব করেন। ওই শিক্ষা অফিসার বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থিত হন। আদালত চালাকালিন হঠাৎ তিনি বিচারকের কাছে গিয়ে কানে কানে কথা বলার চেষ্টা করেন। এ পরিস্থিতিতে বিচারক তাকে ধমক দিয়ে বলেন, আপনি এখানে কেন? চলে যান এখান থেকে। এসময় শিক্ষা অফিসার ‘ওকে-ওকে’, বলতে থাকেন এবং কানে কানে কথা বলার চেষ্টা করেন। এসময় বিচারক বিব্রত হয়ে তাৎক্ষণিক তাকে হাতকড়া পরিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখার নির্দেশ দেন পুলিশকে। পুলিশ আদালতের নির্দেশে তাকে হাতকড়া পরিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখেন। দুপুর ১টার দিকে ওই কর্মকর্তা বিচারককে ‘সরি স্যার’ বললে বিচারক হাতকড়া খুলে নিতে বলেন। তবে আদালত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

নেত্রকোনায় আদিবাসী নেতা হাজং হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব সংবাদদাতা, নেত্রকোনা, ২৯ অক্টোবর ॥ আদিবাসী অধিকার আন্দোলনের নেতা সত্যবান হাজং (৩০) হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও প্রত্যককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর করে সশ্রম কারাদ- দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্দুল হামিদ এ রায় দেন। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলো- বারমারি গ্রামের ম রহিম উদ্দিন, সুরুজ মিয়া, কাজিম উদ্দিন ও ধীরেশ সাংমা। দীর্ঘ নয় বছর পর আলোচিত এ মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুর উপজেলার বারমারি-লক্ষ্মীপুর গ্রামের সত্যবান হাজংয়ের সঙ্গে একই গ্রামের উল্লেখিত আসামিদের রাজনৈতিক ও চাকুরি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। ২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেলে তিনি একই গ্রামে তার মাসি মেমনী হাজংয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে আসামিরা তাকে হত্যা করে।