২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নারী-শিশুর উন্নত পুষ্টি নিশ্চিত করতে নতুন প্রকল্প


স্টাফ রিপোর্টার ॥ কৃষিতে নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে এবং কৃষিজাত খাদ্যের মাধ্যমে নারী-শিশুর উন্নত পুষ্টি নিশ্চিত করতে একটি নতুন প্রকল্প শুরু করেছে সরকার। ‘এগ্রিকালচার টুওয়ার্ড ইমপ্রুভড নিউট্রিশন এ্যান্ড উইমেন’স এমপাওয়ারমেন্ট’ শীর্ষক এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষিবিষয়ক নীতি সহায়তা ইউনিট (এপিএসইউ)। সহযোগিতা করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। প্রাথমিকভাবে দেশের কৃষি উপযোগী গ্রামীণ ১৬টি উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় এসব উপজেলার কৃষক পরিবারের নারীদের প্রশিক্ষণ, ঋণ ও পুষ্টিবিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হবে। এছাড়া বিতরণ করা হবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ কৃষিবীজ।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের সেচ ভবনে পাইলট প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, ইউএসএআইডি- বাংলাদেশ মিশনের পরিচালক জেনিনা জেরুজালস্কি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান, এপিএসইউ মহাপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের পরিচালক মেরেডিথ জ্যাকসন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে ইউএসএআইডি। প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মতিয়া চৌধুরী বলেন, অভ্যন্তরীণ কৃষি দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের খাদ্যের যোগান দিচ্ছে। তবে কৃষিতে নারীর ক্ষমতায়ন না হওয়ায় দেশে এখনও ব্যাপক মাত্রায় পুষ্টিসমস্যা রয়ে গেছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পর সবার জন্য পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করা এখন সরকারের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ। জমির মালিকানা না থাকায় কৃষিতে নারীর সরাসরি অংশগ্রহণ কম। বর্গাচাষে নারীর অংশগ্রহণ নেই বললেই চলে। আবার অশিক্ষাও পুষ্টির গুরুত্ব বুঝার অন্তরায়। তাই মাধ্যমিক পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করেছে ও বিনামূল্যে বই দিচ্ছে। আর কৃষিঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অর্থপ্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, প্রাচীনকালে কবির প্রত্যাশা ছিল, ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে।’ আমরা আর ভুখা জাতি নই। ভাতের অভাব আমরা দূর করেছি। এবার নজর দিতে হবে পুষ্টিসমৃদ্ধ দুধের দিকে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ইফ্রি) প্রধান কর্মকর্তা আকতার আহমেদ প্রকল্পটির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ তুলে ধরেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: