২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সেনাবাহিনীতে প্রথম দুই নারী পাইলটের একক ও দ্বৈত উড্ডয়ন


সেনাবাহিনীতে প্রথম দুই নারী পাইলটের একক ও দ্বৈত উড্ডয়ন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মতো দুজন নারী শিক্ষানবিস পাইলট বুধবার ঢাকার তেজগাঁওয়ের আর্মি এ্যাভিয়েশন গ্রুপে সফলভাবে একক ও দ্বৈত উড্ডয়ন পরিচালনা করেছেন। ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন ও ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার সেসনা ১৫২ এ্যারোপেক প্রশিক্ষণ বিমানের মাধ্যমে একক উড্ডয়ন ও দ্বৈত উড্ডয়ন পরিচালনা করেন।

ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৬১তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্স কোরে কমিশন লাভ করেন। ইঞ্জিনিয়ার্স কোরের সকল আবশ্যক কোর্স শেষে ২০১৪ সালের ১৬ নবেম্বর আর্মি এ্যাভিয়েশন বেসিক কোর্স-৯ এ যোগদান করেন। তিনি গত ১৮ জুন তার উড্ডয়ন দক্ষতা প্রমাণ করতে প্রথম একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন। ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৬১তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্ডন্যান্স কোরে কমিশন লাভ করেন। অর্ডন্যান্স কোরের সকল আবশ্যক কোর্স শেষে ২০১৪ সালের ১৬ নবেম্বর তিনিও আর্মি এ্যাভিয়েশন বেসিক কোর্স-৯ এ যোগদান করেন। তিনি গত ৩০ জুন প্রথম একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মহিলা পাইলট সংযোজন একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। সেনাবাহিনীর দুই মহিলা পাইলট বাংলাদেশের নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে তাঁরা মনে করেন।

আর্মি এ্যাভিয়েশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালের ১ জানুয়ারি হতে অদ্যাবধি বিপুলসংখ্যক সেনা পাইলটকে প্রশিক্ষিত করেছে গুরুত্বপূর্ণ এই সংস্থাটি। এতদিন এখানে শুধুমাত্র পুরুষ পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। ২০১৪ সালের ১৬ নবেম্বর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানটিতে দুজন নারী পাইলটের প্রশিক্ষণ শুরু হয়।-আইএসপিআর

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: