১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ম্যাড থেটারের নদ্দিউ নতিমের উদ্বোধনী মঞ্চায়ন শুক্রবার


স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকার মঞ্চনাটকের আঙিনায় আবির্ভূত হচ্ছে নতুন নাট্যদল ‘ম্যাড থেটার’। নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের একটি উপন্যাস আশ্রিত নাটক নিয়ে মঞ্চে আসছে দলটি। নাটকটির শিরোনাম নদ্দিউ নতিম। প্রযোজনাটির নাট্যরূপ দেয়ার পাশাপাশি নির্দেশনা দিয়েছেন দলপ্রধান এএসএম আসাদুল ইসলাম। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে।

মতিন নামে এক কবিকে নিয়ে বিন্যস্ত হয়েছে নাটকের কাহিনী। মনে মনে মতিন নিজেকে একজন উজবেক কবি হিসেবে কল্পনা করে। সে নিজেকে স্বপ্ন দেখে- ধবধবে ফর্সা গায়ের রং, পরনে জোব্বার মতো একটা পোশাক, লম্বাটে মুখ, চোখ তীক্ষè। মতিনের মধ্যে বাস করে অন্য এক মতিন। দিন দিন মতিন উদ্দিন হয়ে ওঠে নদ্দিউ নতিম। মতিনের হৃদয়ের সবটুকু দখল করে থাকে সহপাঠিনী নিশু। ভাবের ভেলায় ভেসে বেড়ালেও ভাবাবেগে মতিন ডুবে যায় না। সে বুঝতে পারে নিশুর মতো জ্ঞানী মেয়ের যোগ্য সে নয়। মতিনের একদিন চোখে পড়ে পত্রিকার পাতায় তিন লাইনের ছোট্ট একটা বিজ্ঞাপনে। সেখানে জানানো হয়- একজন সার্বক্ষণিক টিউটর প্রয়োজন, টিউটরের সৃজনশীলতা ব্যক্তিগত যোগ্যতা হিসেবে ধরা হবে, বেতন আকর্ষণীয়। আকর্ষণীয় বেতনের মোহে মতিন তার কবিসত্তার বিসর্জন দিয়ে কমল নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুর টিউটর পদে অভিসিক্ত হয়। তবে মতিনের কর্মকা-ে অসন্তুষ্টি সৃষ্টি হওয়ায় তাকে টিউটর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। চাকরি হারালেও প্রতিবন্ধী বাচ্চাটি কবিকে ভোলে না। বাচ্চাটি কবির সঙ্গে কথা বলতে চায়। কারণ কবি চলে গেছে। বাচ্চাটি জেদ ধরে, সে কথা বলবেই বলবে। একপর্যায়ে সুযোগ হয় কবির সঙ্গে কথা বলার। কমল মতিনের সঙ্গে তার জীবনের একটি সিক্রেট শেয়ার করে; যে গোপন কথার জন্য জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়াতে হয় মতিনকে। হাসপাতালের এক হিমশীতল ঘরে সে শুয়ে থাকে। তার কাছে মনে হয়, সে যেন অনন্তকাল এভাবেই শুয়েছিল।

নাটকটি প্রসঙ্গে নির্দেশক আসাদুল ইসলাম বলেন, তিনটি চরিত্র নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। এই চরিত্রগুলোয় অভিনয় করেছি আমি ও আমার স্ত্রী সুবর্ণা এবং মেয়ে মেঘদূত। নাটকে একজন কাল্পনিক উজবেক কবি ও একজন মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুর মনোজাগতিক বিশ্লেষণ দেয়া হয়েছে। নাটকে অধিকাংশ সময় তারা নিজে নিজে কথা বলে। যদিও নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলা একটা জটিল কাজ। এটা অভিনয়ে ফুটিয়ে তোলাও দুরূহ। নাটক সাধারণত হয় কথোপকথনের মধ্য দিয়ে। রস থাকে, আনন্দ থাকে, হাসি-কান্না থাকে। সেক্ষেত্রে নদ্দিউ নতিম নাটকে বিরামহীনভাবে দীর্ঘ দীর্ঘ স্বগতোক্তি ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে।

দলের নামকরণ ম্যাড থেটার প্রসঙ্গে আসাদুল ইসলাম বলেন, মানুষের অবচেতনে এক ধরনের সূক্ষ্ম পাগলামি কাজ করে। এই পাগলামি ব্যবহার করে কেউ কেউ প্রথাগত যুক্তি বুদ্ধির দেয়াল ভেঙ্গে নতুন সমীকরণ সামনে দাঁড় করায়। যারা এই পাগলামি ব্যবহার করতে পারে তারা প্রচলিত ধারার বাইরে নতুন কিছু করার সম্ভাবনা তৈরি করে। সেই সম্ভাবনাকে থিয়েটারের মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্যই গড়া হয়েছে ম্যাড থেটার।

জাদুঘরে আজ বৌদ্ধ ভাস্কর্য প্রদর্শনী ॥ প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। অষ্টম থেকে একাদশ শতক পর্যন্ত পাল-চন্দ্র শাসনামলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার ফলে বাংলায় তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক বিকাশ ঘটে। এ সময় অবলোকিতেশ্বর, ধ্যানীবুদ্ধ, বজ্রসত্তের বহু ভাস্কর্য তৈরি হয়। বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত উল্লিখিত ভাস্কর্য বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এসব ভাস্কর্যের মধ্য থেকে প্রস্তর, ব্রোঞ্জ ও পোড়ামাটির ৮৫টি বিরল ও দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্যের সমন্বয়ে জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত হচ্ছে বৌদ্ধ ভাস্কর্য প্রদর্শনী।

ভাস্কর নভেরা আহমেদকে নিয়ে সেমিনার ॥ জাতীয় জাদুঘরে চলছে দেশে আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের পথিকৃৎ ভাস্কর নভেরা আহমেদের ভাস্কর্য ও চিত্রকর্মের অনুকৃতি নিয়ে নভেরা প্রদর্শনী। আজ বুধবার শেষ হবে এই প্রদর্শনী। নভেরা আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে আজ বিকেল ৪টায় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সেমিনারের আয়োজন করেছে।

আন্তঃঅঞ্চল সেনা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ॥ আইএসপিআর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তঃঅঞ্চল সেনা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৫ মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট (এএফএমআই) অডিটরিয়ামে শুরু হয়েছে। ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম মাহমুদ হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।