১২ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মার্ক কুবান ছিলেন ডালাসের একজন বার টেন্ডার


মার্ক কুবান তার ২৫ বছর বয়সে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক শেষ করেন এবং ডালাসে বসবাস শুরু করেন। প্রথম জীবনে কুবান একজন বার টেন্ডার হিসেবে কাজ করেন এবং পরবর্তীতে একটি সফটওয়্যার কোম্পানির সেলসম্যান হিসেবে কাজ করেন। মার্ক কুবান প্রথম থেকেই চাইতেন তিনি একটি স্টল খুলবেন এবং নিজস্ব ব্যবসা শুরু করবেন। সেলসম্যানের চাকরি তাকে বেশ ক্লান্ত করে তুলছিল। নিজের প্রথম ব্যবসা মাইক্রো সলিউশনের যাত্রা সেই তখন থেকেই।

ডালাসে থাকার সময় বেশ কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। এমন কঠিন সময়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন কুবান। আশপাশের বিশাল সব অট্টালিকার দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখতেন একদিন তিনিও এমন বাড়িতে থাকবেন। এমন স্বপ্ন কিংবা ইচ্ছা তাকে এই অবধি আসতে অনুপ্রেরণা জোগায়।

রালফ লোরেল ছিলেন ব্রুকস ব্রাদার্সের একন বিক্রয় সহকারী

রালফ লোরেল জীবনের ১৫ বছর বয়সে তার নাম পরিবর্তন করেন। রালফ লিফস-হিট্্জ থেকে পরিবর্তন করে রাখেন রালফ লোরেল। তখন তিনি নিউয়র্কের বাসিন্দা। তরুণ বয়সে বিজনেস স্কুলে পড়াশোনা করা এই ভদ্রলোক সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২৪ বছর বয়স পর্যন্ত সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। এরপর লোরেল ব্রুকস ব্রাদার্সের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। ২৬ বছর বয়সে লোরেল সিদ্ধান্ত নেন তিনি ইউরোপিয়ান ধাঁচের একটি টাই ডিজাইন করবেন এবং পরবর্তী বছর বাজারে আনেন পলো ব্রান্ড।

জেকে রোলিং চলন্ত ট্রেনে হ্যারি পটারের ধারণা পান

১৯৯০ সালে ২৫ বছর বয়সে জেকে রোলিং প্রথম হ্যারি পটার গল্পের ধারণা পান। চার ঘণ্টা দেরি হওয়া একটি ট্রেনের জন্য অপেক্ষারত রোলিং সেদিন বিকেলেই প্রথম হ্যারি পটার সিরিজের বই লেখা শুরু করেন। তবে বইটি শেষ করতে তার বছর খানেক সময় লাগে। রোলিং তখন এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের লন্ডন শাখার সেক্রেটারি। হ্যারি পটার সিরিজের বই লেখার আগে তিনি এ বই নিয়ে কেবল দিবাস্বপ্ন দেখতেন। এই সময়ে তার জীবনে বেশ চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়। রোলিং এই সময়ের মধ্যে বিয়ে করেন, তার একটি কন্যা সন্তান জন্মলাভ করে। পরে আবার স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয় এবং মানসিক সমস্যার কারণে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৯৯৫ সালে তার হ্যারি পটার বইটি পুরোপুরি লেখা শেষ হয় এবং তা ১৯৯৭ সালে মুদ্রিত হয়।

ওয়ারেন বাফেট ছিলেন একজন বিনিয়োগ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি

মাত্র বিশ বছর বয়সে বাফেট একটি বিনিয়োগ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। ওমাহা থেকে নিউয়র্ক যাওয়ার আগে তিনি একজন সিকিউরিটি এনালিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। তখন তিনি বাফেট পার্টনারশিপ কোম্পানি শুরু করেন। নিউয়র্কে এসে তার মনে হয় এই শহর তার জন্য নয়। তাই তিনি পুনরায় ওমাহা ফিরে যান।