২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

পুলিশ কর্মকর্তার পিতাসহ তিনজনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা


স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ আধিপত্য বিস্তারের জন্য এবার সহকারী পুলিশ সুপারের পিতা, চাচা ও ছোট ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রবিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরপদ্মা মাদ্রাসারহাট এলাকায়।

জানা গেছে, স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী সুজন নলী ও রাজিব নলী দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে চাঁদাবাজিসহ নানা অপর্কম করে আসছে। তাদের সহযোগী হিসেবে রয়েছে স্থানীয় নিজাম উদ্দিন, ফারুক হোসেন, মিন্টু, সজিব, জসিম উদ্দিন, সরওয়ার হোসেন, শাহ আলম মেলকার, মনির সিকদার, আনোয়ার হাওলাদার, মোতালেব সরদারসহ আরও ৫/৬ জন যুবক। সূত্রে আরও জানা গেছে, রবিবার বিকেলে সফিপুরের নিজবাড়ি থেকে ঢাকায় উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন সহকারী পুলিশ সুপার (বর্তমানে ময়মনসিংহে র‌্যাব-১৪ তে) কর্মরত আব্দুল কাদেরের পিতা সৈয়দ আহম্মদ আলী বেপারী, চাচা দুলাল বেপারী ও ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন। পথিমধ্যে মাদ্রাসারহাট এলাকায় পৌঁছলে আধিপত্য বিস্তারের জন্য উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা একটি তুচ্ছ ঘটনায় তাদের তিনজনের ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা মুর্মুর্ষ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাতে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সে ভর্তি করেন।

এরপূর্বে ওই সন্ত্রাসীরা গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় কলেজ ছাত্র শান্ত হাওলাদার ও মাদ্রাসা ছাত্র ইউসুফ হাওলাদারকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। ওই দু’শিক্ষার্থী এখনও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এরমাত্র কয়েকদিন পূর্বে একই সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে চরপদ্মা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন সিপাহী ও আব্দুল জব্বার চৌকিদারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে। ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করা সত্বেও কোন প্রতিকার না পেয়ে বর্তমানে ওই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছেন না। তারা আরও জানান, উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের মধ্যে কয়েকজনে দিনে মোটরসাইকেল চালক হিসেবে এলাকায় আত্মপ্রকাশ করলেও অপকর্মের জন্য রাতে তারা এলাকার মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে ওঠেন। এসব সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষাপেতে সফিপুরবাসী জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: