মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৪ আগস্ট ২০১৭, ৯ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

পদ্মায় ব্যারাজ নির্মাণে ভারতকে সঙ্গী চান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর ২০১৫

বিডিনিউজ ॥ পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে তা কাজে লাগাতে পদ্মা নদীতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ব্যারাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ রবিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে দেখা করতে এলে একথা বলেন শেখ হাসিনা। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের আলোচনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান। দেশের প্রধান নদী পদ্মায় পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে তা সেচ, জীববৈচিত্র্য রক্ষাসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য রাজবাড়ীর কাছে গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক প্রায় ৩২ হাজার কোটি। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত জায়গা থেকে প্রায় ১০০ কিমি উজানে পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কাতে পদ্মা নদীর ওপর আরেকটি ব্যারাজ রয়েছে।

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার জন্য এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিবহনের জন্য ভারত যে প্রস্তাব দিয়েছে তা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের হাই কমিশনার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের সফরকালে গৃহীত চুক্তিসমূহ ও অন্যান্য সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

শেখ হাসিনা বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক এবং উভয় পক্ষ স্থল সীমান্ত চুক্তি ও এর প্রটোকল নির্ধারিত সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বাস্তবায়ন করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুমোদনে সমর্থন দেয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং দলমত নির্বিশেষে দেশটির পার্লামেন্টের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।

শেখ হাসিনা আস্থা প্রকাশ করেন যে, অবশিষ্ট সব পদক্ষেপ যথাসময়ে সম্পন্ন হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সদ্যবিলুপ্ত ছিটমহল এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে যাতে নিশ্চিত করা যায় যে, এসব এলাকার জনসাধারণ সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পায়। এসব কর্মসূচী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তদারকি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের বিদ্যুত খাতে ভারতের সহযোগিতার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, এক্ষেত্রে আমরা উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার পরবর্তী পর্যায়ে এগিয়ে যেতে চাই।

তারা পদ্মা নদীর উপর গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ব্যারেজ নির্মাণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশে পায়রা বন্দর ও গভীর সমুদ্রে আরও বন্দর নির্মাণে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে ভারতের আগ্রহের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করছে।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, পেট্রাপোলে একটি সমন্বিত অভিবাসন চেকপোস্ট স্থাপিত হচ্ছে। এছাড়া, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়িতে ভারতের একটি অভিবাসন চেকপোস্ট চালুর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর ২০১৫

২৬/১০/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ:
ঘূর্ণিঝড়, পাহাড় ধস, বন্যা ॥ দুর্যোগ পিছু ছাড়ছে না || বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের শিকার পরিবারগুলোকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান || বিটি প্রযুক্তির ব্যবহার দেশকে কৃষিতে ব্যাপক সাফল্য এনে দিয়েছে || রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ পুরো ফেরত পাওয়া যাবে || গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক ১৮ আসামিকে ফেরত আনার চেষ্টা || অনেক সড়ক মহাসড়ক পানির নিচে মহাদুর্ভোগের শঙ্কা || খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে ’২১ সালের মধ্যে বিলিয়ন ডলার রফতানি || নূর হোসেনের দম্ভোক্তি উবে গেছে, কালো মেঘে ছেয়েছে মুখ || জবাবদিহিতা না থাকা ও রাজনৈতিক প্রভাবে পাউবো প্রকল্পে দুর্নীতি || রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে আজ চূড়ান্ত রিপোর্ট দিচ্ছে আনান কমিশন ||