১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আরও সংবাদ


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ খেলোয়াড়ী জীবনে ছিলেন প্রথম বেঞ্চের ছাত্র। আধুনিক পাকিস্তানের অন্যতমসেরা ব্যাটসম্যান তিনি। সেই ইনজামাম-উল হক কোচিংয়ের ইনিংসটাও শুরু করলেন রাজকীয় ভাবে। খ-কালীন দায়িত্ব নিয়ে কোন টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানকে জেতালেন ওয়ানডে সিরিজে। ঐতিহাসিক অর্জনের পথে জিম্বাবুইয়ের মাটিতে আফগানরা পাঁচ ওয়ানডের সিরিজে জিম্বাবুইয়েকেই হারাল ৩-২ ব্যবধানে! প্রথমবারের মতো টেস্ট প্লেয়িং দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের দারুণ এক রেকর্ড গড়ল ক্রমশ উপমহাদেশীয় ক্রিকেটের আগামীর শক্তি হয়ে উঠতে যাওয়া আফগানিস্তান। বুলায়েতে সিরিজ নির্ধারণী পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে ৭৩ রানের বড় জয় তুলে নেয় আসগর স্টানিকজাই মোহাম্মদ নবিদের দল।

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটা হয়ে উঠেছিল অঘোষিত ফাইনাল। অথচ সহযোগী সদস্য আফগানিস্তানের কাছে পাত্তাই পায়নি টেস্টের এলি শ্রেণীর দল জিম্বাবুইয়ে। বুলাওয়েতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৫ রান সংগ্রহ করে আফগানরা। দুটি হাফসেঞ্চুরি হাঁকান নুর আলি জাদরান (৫৪) ও মোহাম্মদ নবি (৫৩)। তৃতীয় সর্বোচ্চ অধিনায়ক স্টানিকজাইর। এছাড়া ওপেনার মোহাম্মদ শাহেবজাদ ২৬, নয় নম্বরে নেমে মিরওয়াইজ আশরাফ ১৬ বলে খেলেন ২১ রানের কার্যকর এক ইনিংস। ৩টি করে উইকেট নেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও সিকান্দার রাজা। জবাবে ৪৪.১ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। বিফলে যায় শন উইলিয়ামসের সেঞ্চুরি (১০২), সাত নম্বরে নেমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ অধিনায়ক এলটন চিগম্বুরার। ৪ উইকেট নিয়ে উইলিয়ামসের সঙ্গে যৌথভাবে ম্যাচসেরা আফগান পেসার শাপুর জাদরান। দুরন্ত নৈপুণ্যে সিরিজসেরা মোহাম্মদ নবি।

বাফুফের সঙ্গে চুক্তি সানচেজের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের যুব ফুটবল উন্নয়ন ও বয়সভিত্তিক খেলোয়াড় সৃষ্টির লক্ষে গঞ্জালো সানচেজ মরেনোকে প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। স্পেনের নাগরিক সানচেজের সঙ্গে এজন্য ৬ মাসের চুক্তি করেছে বাফুফে। রবিবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সানচেজকে ৬ মাসের পারিশ্রমিক প্রদান করবে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান এসএ স্টিল। চুক্তি স্বাক্ষরের সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সভাপতি কাজী মোঃ সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সহ-সভাপতি বাদল রায়, সদস্য আজমল আহমেদ তপন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু নাইম সোহাগ।

দুবাইয়ে চালকের

আসনে পাকিস্তান

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ দুবাই টেস্টে চালকের আসনে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ৩৭৮ রান করা মিসবাহ-উল হকের দল ৬ উইকেটে ৩৫৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে। জয়ের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের সামনে ৪৯১ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় পাকিরা। ৫৪ ওভারে ১৩০ রান তুলে নিলেও টপঅর্ডারের ৩ ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ইংলিশরা গুটিয়ে যায় ২৪২ রানে। জয়ের জন্য আজ শেষ দিনে এ্যালিস্টার কুকদের চাই আরও ৩৬১। টেস্টের ইতিহাস বলে পঞ্চম দিনে এত রান করে জয় অসম্ভব, তাই জিততে চাইলে হয়ত হেরেই বসবে ইংল্যান্ড! দিন পার করে ‘ড্র’ করটাও সহজ হবে না।

৩ উইকেটে ২২২ রান নিয়ে রবিবার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে পাকিস্তান। ৩ উইকেট হারিয়ে এদিন আরও ১৩২ রান যোগ করে মিসবাহবাহিনী। উল্লেখযোগ্য দিক মিসবাহর ৮৭ এবং ইউনুস খানের সেঞ্চুরি। ১১৮ রান করে আউট হন ইউনুস। প্রথম ইনিংসে ৫৬ রানের পথে যিনি প্রথম পাকিস্তানী হিসেবে ৯ হজার রানের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেন। ১০৩তম টেস্টে তার মোট রান এখন ৯,০৭১। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩১ সেঞ্চুরির রেকর্ডও তার দখলে। দুবাইয়ে ‘ঠুক ঠুক’ মিসবাহ গড়েছেন পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট ছক্কার (৬৫) নতুন রেকর্ড! সতীর্থ ইউনুসকেই (৬০) টপকে গেছেন তিনি। জবাবে ১৯ রানের মধ্যে দুই ওপেনার মঈন আলি (১) ও এ্যালিস্টার কুককে (১০) হারালেও ইংল্যান্ডের হয়ে দৃঢ়তা দেখান ইয়ান বেল (৪৬) ও জো রুট। ৫৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন রুট, ৬ রানে তার সঙ্গী জনি বেয়ারস্টো।

স্কোর ॥ পাকিস্তান প্রথম ইনিংস ৩৭৮/১০ (১১৮.৫ ওভার; মিসবাহ ১০২, শফিক ৮৩, ইউনুস ৫৬, মাসুদ ৫৪; উড ৩/৩৯, মঈন ৩/১০৮) ও দ্বিতীয় ইনিংস ৩৫৪/৬ ডিক্লে. (৯৫ ওভার; ইউনুস ১১৮, মিসবাহ ৮৭, শফিক ৭৯, হাফিজ ৫১; এ্যান্ডারসন ২/২২, উড ২/৪৪)। ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ২৪২/১০ (৭৫.২ ওভার; রুট ৮৮, কুক ৬৫, বেয়ারস্টো ৪৬; ওয়াহাব ৪/৬৬, ইয়াসির ৪/৯৩, ইমরান ২/৩৩) ও দ্বিতীয় ইনিংস ১৩০/৩ (৫৪ ওভার; রুট ৫৯*; বেল ৪৬; ইমরান ১/১৬)। ** চতুর্থ দিন শেষে

কলম্বো টেস্টে বৃষ্টির

বাগড়া

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ মাত্র ২৪৪ রানের টার্গেট। কিন্তু সেটাই পাহাড়ের সমান সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য। কলম্বো টেস্টে এখন পর্যন্ত বোলাররা যেভাবে ব্যাটসম্যানদের নিয়ন্ত্রণ করেছে তাতে করে এটা পরিষ্কার। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সুবিধা করতে না পেরে শ্রীলঙ্কা মাত্র ২০৬ রানে গুটিয়ে যায়। জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ক্যারিবীয়রা দ্বিতীয় ইনিংসে এখন পর্যন্ত ১ উইকেটে করেছে ২০ রান। ম্যাচের চতুর্থ দিনেই খেলার ফলাফল হয়ে যেত। কিন্তু পি সারা ওভালে বৃষ্টির দাপটে কোন বলই মাঠে গড়ায়নি রবিবার। ফলে আজ ম্যাচের শেষদিনে নাটকীয়তার অপেক্ষা। আরও ২২৪ রান প্রয়োজন ক্যারিবীয়দের, শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন এর আগেই ৯ উইকেট!

শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসটা শুরু একেবারেই প্রথম ইনিংসের মতো। প্রথম ইনিংসে মিলিন্ডা শ্রীবর্ধনের ৬৮ রানে ২০০ করতে পেরেছিল লঙ্কানরা। দ্বিতীয় ইনিংসে নির্দিষ্ট কেউ হাল ধরতে পারেনি। তবে এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের ৪৬, শ্রীবর্ধনের ৪২ ও কুসাল মেন্ডিসের ৩৯ রানে ২০৬ রানে গুটিয়ে যায় তারা। মূলত ওপেনিং ব্যাটসম্যান হলেও লঙ্কান ইনিংসে ধস নামিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী ক্রেইগ ব্রেথওয়েট। অনিয়মিত এ অফস্পিনার মাত্র ২৯ রানে নেন ৬ উইকেট। ২৪৩ রানের লিড নেয় লঙ্কানরা। তৃতীয় দিনশেষে ১ উইকেটে ২০ রান তোলে ক্যারিবীয়রা। এখনও ২২৪ রান করতে হবে। কিন্তু চতুর্থ দিন কলম্বো ভেসেছে বৃষ্টির থৈ থৈ পানিতে। খেলাই হয়নি। তাই আজ শেষদিনের নাটকীয়তার অপেক্ষা।

জয় দিয়ে শুরু হ্যালেপের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ডব্লিউটিএ ফাইনালসে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন সিমোনা হ্যালেপ। রবিবার টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ইতালির ফ্লাভিয়া পেনেত্তাকে পরাজয়ের লজ্জা উপহার দেন তিনি। ইউএস ওপেনের চ্যাম্পিয়ন পেনেত্তা। কিন্তু এদিন পাত্তাই পাননি শীর্ষ বাছাই হ্যালেপের কাছে। টুর্নামেন্টের ফেবারিট রোমানিয়ার সিমোনা হ্যালেপ এদিন ৬-০ এবং ৬-৩ গেমে উড়িয়ে দেন অষ্টম বাছাই পেনেত্তাকে। বিশ্ব টেনিসের চার গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্টের পরই বিবেচনা করা হয় ডব্লিউটিএ ফাইলানস। টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট প্রমীলা খেলোয়াড় সুযোগ পান এই ইভেন্টে। এবার শীর্ষ বাছাই হিসেবে খেলছেন রোমানিয়ার হ্যালেপ। কেননা সেরেনা উইলিয়ামসের পরই তার বর্তমান অবস্থান। যে কারণে ফেবারিটের তকমাটাও তার গায়ে মাখানো। যদিওবা অক্টোবরের শুরুতেই গোড়ালির ইনজুরিতে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের প্রথম ম্যাচে চোটের কোন প্রভাব ফেলেনি। তাই সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন এই রোমানিয়ান। এ বিষয়ে ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে সিমোনা হ্যালেপ বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে ফিরতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। তাছাড়া প্রথম ম্যাচে ভাল খেলতে পারার কারণে আনন্দের মাত্রাটা আরও বহুগুণে বেড়ে গেছে। আজ সত্যিই তার বিপক্ষে ভাল খেলেছি আমি।’ চলতি মৌসুমের শেষ মুহূর্তে এসে জ্বলে উঠেন ফ্লাভিয়া পেনেত্তা। ইউএস ওপেন জিতে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্ট জয়ের স্বাদ পান তিনি। ফাইনালে স্বদেশী রবার্টা ভিঞ্চিকে হারিয়ে অসাধারণ সেই মাইলফলক স্পর্শ করেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। শুধু তাই নয়, ইউএস ওপেনে ক্যারিয়ারের প্রথম মেজর টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতে অবসরেরও ঘোষণা করে দেন তিনি। তাই এই মৌসুমই তার ক্যারিয়ারের শেষ। আর ডব্লিউটিএ ফাইনালসই তার ক্যারিয়ারের বড় কোন আসর। অথচ ডব্লিউটিএ ফাইনালসে খেলা নিয়েই সংশয় ছিল তার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রেমলিন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে সিঙ্গাপুরের টিকেট নিশ্চিত করেছিলেন তিনি। কিন্তু শুরুটা হলো তার পরাজয়ে। ইতালিয়ান তারকা হ্যালেপের কাছে হেরে দারুণ হতাশ পেনেত্তা।

এছাড়া সিঙ্গাপুরের এই টুর্নামেন্টের সকল আলো মারিয়া শারাপোভার উপর। কেননা দীর্ঘদিন পর এই ইভেন্ট দিয়েই যে কোর্টে ফিরছেন তিনি। চলতি বছরের প্রথম গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্ট অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে উঠেছিলেন মাশা। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সেরেনা উইলিয়ামসের কাছে হেরে সেবার স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় ডুবেন তিনি। এরপর উইম্বল্ডনের সেমিফাইনালেও একই প্রতিপক্ষের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। এরপরই চোটের সঙ্গে নিয়মিত লড়াই করতে হয় তাকে। ইউএস ওপেনে তো খেলতেই পারেননি রাশিয়ান এই গ্ল্যামারগার্ল। গত মাসে উহান ওপেনের কোর্টে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্য এই রুশ সুন্দরীর।