১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

শিক্ষামূলক সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করবে ফেসবুক


ভিনডু গোল/মোটোকো রিচ

ফেসবুক, যা আজ বিশ্বে সাড়া জাগানো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। দিনে দিনে ফেসবুকের গ্রাহক সংখ্যা শুধু বাড়ছেই না বরং ফেসবুক আজ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে শাসকের ভূমিকায় দেখা গেছে। পরিবর্তন নিয়ে এসেছে তথ্যের ভা-ারে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা শুধু বয়সের ফ্রেমেই বন্দী নয়, বরং বিশাল একটি মুক্তমনের জায়গা। যেখানে মিলবে হাজারো তথ্য, নিউজ, ভিউজ। এত পরিবর্তনের মধ্যেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নিজে থেকেই শিক্ষামূলক সফটওয়্যার নিয়ে বিশেষভাবে কাজ শুরু করবে। আর এরই ধারাবাহিকতায় সিলিকন ভ্যালি গত বৃহস্পতিবার ঘোষণা করল তাদের এই পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট। স্থানীয় স্কুলগুলোতে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে এসে এই শিক্ষামূলক সফটওয়্যার ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি করে দিল। এই সফটওয়্যারের বিশেষ দিক হলো, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ইচ্ছা অনুযায়ী। এই বিশেষ শিক্ষামূলক সফটওয়্যার দিয়ে বিশাল তথ্য ভা-ারে বিদ্যমান উপকরণ দিয়ে পড়াশোনা, ছবি আঁকা, কথা বলা ও বিশেষ বিশেষ ফিচার দেখা এবং শোনা যাবে। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক হুকারবার্গ এই প্রজেক্ট গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, লেখাপড়াটা কোন ফ্রেমে আটকানোর বিষয় নয়। ইন্টারনেট ব্যবহার করে ছোট শিক্ষার্থীরা বেশি মনোযোগী হবে শিক্ষা গ্রহণে। তিনি আরও বলেন, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই প্রজেক্ট নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাবে। ভবিষ্যতে শিক্ষা গ্রহণে যেন কারও আগ্রহ কম না থাকে। সহজ সাবলীলভাবে শিক্ষাও গ্রহণে থাকবে শুধু মজা। তিনি বলেন, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে ৮ জন দক্ষ ফুলটাইম কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যারা সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে ভীষণ দক্ষ। শিক্ষকরা তাদের মতো করে বিভিন্ন কুইস ও প্রশ্ন, উত্তর পর্ব পরিচালনা করতে পারবেন এই বিশেষ সফটওয়্যারটি দিয়ে এই কথা বললেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষের একজন তাভিনির। তিনি আরও জানান, এই সফটওয়্যারটি শেয়ার করা যাবে এবং সেটি একেবারে বিনামূল্যে। এই প্রসঙ্গে মার্ক হুকারবার্গ ২০১০ সালে প্রায় একশ মিলিয়ন ডলার স্কুল নেটওয়ার্ক উন্নয়নে খরচ করেছিলেন। এছাড়াও গত বছর প্রায় ১২০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিলেন মার্ক হুকারবার্গ ও তার স্ত্রী প্রিমিলা চ্যান সানফান্সিসিকো তীরবর্তী স্কুলগুলোর জন্য। যেগুলো বিভিন্ন এনজিও সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে নেটওয়ার্কিং কাজের জন্য। আর এই বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করা একটি উদ্দেশ্য শিক্ষাকে সবার উপযোগী করে গড়ে তোলা। ফেসবুকের এই অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে কোন ব্যবসায়ী উদ্দেশ্য নেই যেটি স্পষ্ট করেছেন মাইক মেগা।