মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২২.৮ °C
 
১ মে ২০১৭, ১৮ বৈশাখ ১৪২৪, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

রোগ প্রতিরোধ আর পুষ্টিগুণে ভরা মানকচু

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর ২০১৫

পছন্দের অনেক সবজিই মেলে শীত মৌসুমে। সবজি আর পিঠা এ দুটোই শীতের মজার খাবার। পুরো শীতকালে বাজার নানারকম সবজিতে থাকে ঠাসা। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, গাজর, শালগম, টমেটো, শিমসহ মজাদার মানকচু। এসব সবজি খেয়ে পুরো শীতকালে চনমনে হয়ে ওঠার পাশাপাশি বাড়াতে পারেন দেহের পুষ্টি। যদিও শীতের কিছু সবজি এখন অন্য সময়েও বাজারে পাওয়া যায়, তবুও শীতকালে শীতের সবজির মজাই আলাদা।

শস্য ভা-ার হিসেবে খ্যাত বরিশালের বিভিন্ন উপজেলার চরাঞ্চলে ধানের পাশাপাশি শীত মৌসুমে কৃষকেরা ভিটা ও ডোবায় দীর্ঘদিন থেকে বাণিজ্যিকভাবে লতিরাজ, মুখি কচু, বুনো কচু ব্যাপকহারে চাষ করে আসছে। চরাঞ্চলের বাইরে এতদাঞ্চলবাসীর মধ্যে মানকচু অন্যতম জনপ্রিয় সবজি। অল্পসময়ে ও কম খরচে কচু চাষ অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় এবং কচু চাষে রোগবালাই কম থাকার ফলে সবজি চাষীদের মধ্যে কচু চাষের আগ্রহ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কচু চাষীরা জানায়, চারা রোপণের চার মাসের মধ্যেই কচু কেটে তা বিক্রি করা যায়। তাছাড়া চারা রোপণের পর কোন কীটনাশক ও সার প্রয়োগ করার প্রয়োজন নেই। চারা রোপণ করে রাখলেই কোন বাড়তি খরচ ছাড়াই এমনি এ ফসল বেড়ে ওঠে। লতিরাজ, মুখি ও বুনো কচুর পাশাপাশি বরিশালবাসীর মধ্যে মান কচুর চাহিদা থাকলেও একমাত্র গৃহস্থের বাড়ি কিংবা পান বরজের পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত স্থানেই কেবল মানকচুর চাষ হয়। মানকচু দীর্ঘজীবী উদ্ভিদ। পুরু থামাকার কা- এবং বৃহৎ পাতা উৎপাদন করে। সংগ্রহ না করা পর্যন্ত কা- দৈর্ঘে বাড়তে থাকে। শখের বসে নিজের পান বরজের মধ্যে ও তার পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত এলাকায় মানকচুর চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব ভীমেরপাড় গ্রামের চাষী ছালাম হাওলাদার। শখের বশে পান বরজের মধ্যে ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় গত দু’বছর পূর্বে তিনি কয়েকটি মানকচুর চারা রোপণ করেছিলেন। কীটনাশক ও সার ব্যবহার ছাড়াই দু’বছরের ব্যবধানে কচু বেড়ে ইতোমধ্যে একেকটি পাঁচ থেকে ছয় ফুট লম্বা হয়েছে। এছাড়া বংশ বিস্তার করে বর্তমানে তার পান বরজে ২০টি কচু গাছ হয়েছে। এলাকার অসংখ্য মানুষ তার কাছ থেকে চারা নিয়ে রোপন করেছে।

Ñখোকন আহম্মেদ হীরা

বরিশাল থেকে

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর ২০১৫

২৪/১০/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: