২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বি. বাড়িয়ায় সংঘর্ষে যুবক নিহত


স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ॥ শুক্রবার নাসিরনগর উপজেলার ধানতলিয়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক জন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। নিহত মোঃ রহমত আলী (৫৫) ধানতলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গ্রামের ফজলুর রহমান, আবিদ খা ও আব্দুল মালেকের লোকজনের সঙ্গে জামির খা, সাত্তার ও শামিম গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সকাল থেকে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে রহমত আলী প্রতিপক্ষের হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।

রাজশাহীতে আহত

যুবকের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে জানান, বাঘা উপজেলার চরাঞ্চলে দুই পক্ষের সংঘর্ষের তিনদিন পর আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম রুবেল (২২)। শুক্রবার ভোরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থান তিনি মারা যায়। বিরোধের জের ধরে গত মঙ্গলবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের নারীসহ ৮ জন আহত হয়। এদের মধ্যে সিরাজ পক্ষের রুবেলকে ওইদিনই (২২) রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর সেখানে শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।

মসজিদের টাকার হিসাব

নিয়ে নারী নিহত

স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ থেকে জানান, রায়গঞ্জে বৃহস্পতিবার রাতে মসজিদের টাকার হিসাব ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির নিকটাত্মীয় আয়মনা বেগম (৬০) নামে এক মহিলা নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয় কমপক্ষে ১২ জন। আহতদের রায়গঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, উপজেলার জয়ানপুর পূর্বপাড়া জামে মসজিদের টয়লেট নির্মাণ কাজের টাকার হিসাব নিয়ে মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার আরশেদ আলীর কাছে অন্য সদস্যরা টাকার হিসাব চাইলে ফান্ডে টাকা নেই বলে জানান। এ সময় ক্যাশিয়ারের পক্ষ এবং প্রতিপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে রাতে এশার নামাজ শেষে এক সমঝোতা বৈঠক হয়। এ সময় পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে। পরে পুলিশ এসে সংঘর্ষ থামায়। কিন্তু আয়মনা নামের এই মহিলা আকস্মিকভাবে নিখোঁজ হয় এবং গভীর রাতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। সে আরশেদ আলীর নিকটাত্মীয় এবং কুড়ান আলীর স্ত্রী। এ বিষয়ে ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ উদ্দিন খান সংঘর্ষ এবং নিহতের ঘটনার কথা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই সঠিক কিছু বলা যাচ্ছে না। এটি গভীর তদন্তের বিষয়।