মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৮ আশ্বিন ১৪২৪, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বৈধতা দিল ভারত

প্রকাশিত : ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বিডিনিউজ ॥ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে যেসব ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘু’ বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে ঢুকেছেন, অথবা ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরও সেখানে অবস্থান করছেন, তাদের ক্ষেত্রে ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সোমবার ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো জানিয়েছে ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা সংখ্যালঘুদের বৈধতা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করা ‘সংখ্যালঘুদের’ ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। ভারতের ১৯২০ সালের পাসপোর্ট আইন বা ১৯৪৬ সালের ফরেনার্স এ্যাক্টের সংশ্লিষ্ট ধারা থেকে তাদের ‘অব্যাহতি’ দেয়া হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এ ‘সংখ্যালঘুরা’ কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকলেও কিংবা কাগজপত্রের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও ভারতে থাকতে পারবেন বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্যগুলোতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে এই নির্দেশনা।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজ দেশে ‘নির্যাতনের শিকার হয়ে’ কিংবা ‘নির্যাতনের আশঙ্কায়’ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ভারতে ‘আশ্রয়’ নেয়া হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, পার্সি এবং বৌদ্ধদের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। আইন অনুযায়ী তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হলেও তাদের অবস্থানকে বৈধতা দেয়ার বিষয়টি অনেক দিন ধরেই ভারত সরকারের বিবেচনায় ছিল। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্যতম একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ছিল এটি। অবশ্য তার আগে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী অনেক নেতাই ভারত থেকে ‘অবৈধ বাংলাদেশীদের’ বিতাড়নের বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন। ২০১৪ সালের শুরুতে ‘অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী মুসলমানদের’ ভারত ছাড়তে এক বছর সময়ও বেঁধে দিয়েছিলেন আসামের বিজেপি নেতা সভাপতি কামাক্ষা প্রসাদ তাসা। গতবছর মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদির সরকার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ‘সংখ্যালঘুদের’ কথা বিবেচনায় রেখে ভিসা জটিলতা নিরসনে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়। গত বছর সেপ্টেম্বরে এ বিষয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করার কথাও জানিয়েছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। ভারতে যাদের অবৈধ বাংলাদেশী বলা হচ্ছে, তাদের একটি বড় অংশের বসবাস আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। ২০১৬ সালের মে মাসে এ দুটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এখন শাসন করছে তৃণমূল কংগ্রেস; আর আসাম সরকারে আছে ভারতীয় কংগ্রেস।

প্রকাশিত : ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

০৯/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: