মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

কার্যক্রম মূল্যায়ন করেই এক ঠিকাদার পাবে একাধিক কাজ

প্রকাশিত : ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ এক ঠিকাদার একাধিক প্রকল্পের কাজ পেলে সেক্ষেত্রে পরফরমেন্স মূল্যায়ন করেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই ঠিকাদার বা প্রতিষ্ঠানে চলমান অন্য প্রকল্পের কাজ ৮০ শতাংশ অগ্রগতি হলেই কেবল নতুন কোন প্রকল্পের দায়িত্ব দেয়া হবে। এমনই সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে বৈঠক করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বশীলরা অংশ গ্রহণ করেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারী ক্রয় আইন ও বিধিমালা সংশোধনের পক্ষে সভায় অংশগ্রহণকারীরা একমত পোষণ করেছেন। তাছাড়া দেখা যায় অনেক সময় একই ঠিকাদার একাধিক প্রকল্পের কাজ পেয়ে থাকেন। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বিষদ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে অংশ নেয়া দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, অভ্যন্তরীণ কেনাটাকায় এক ধাপ দুই খাম পদ্ধতি প্রচলিত আছে। এজন্য আর্থিক ও কারিগরি প্রস্তাব একই সঙ্গে নেয়া হয়। এর পর কারিগরি মূল্যায়ন করে আর্থিক বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়। এজন্য সিন্ডিকেট করে উচ্চ দর দেয়ার সুযোগ থাকে না। তবে আন্তর্জাতিক কেনাকাটায় প্রথমে কারিগরি প্রস্তাব নেয়া হয়। এখানে যারা বিবেচিত হয় তারা আর্থিক প্রস্তাব দেয়। এর ফলে কারিগরি প্রস্তাবে নির্বাচিত কয়েকটি কোম্পানি আর্থিক প্রস্তাব দেয়ার সুযোগ পায়। এভাবে বিদ্যুত বিভাগ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সিন্ডিকেট করে উচ্চ দর দেয়ার অভিযোগ উঠছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং বিদ্যুত বিভাগের নজরে আসায় আন্তর্জাতিক কেনাকাটায় এক ধাপ দুই খাম পদ্ধতি অন্তর্ভুক্তি করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া বড় বড় প্যাকেজ করে চিহ্নিত বা পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দেয়া হচ্ছে, এতে বাস্তবায়নেও ব্যাপক বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এটি ঠেকাতে এসব প্যাকেজ যুক্তিসঙ্গতভাবে ছোট করা হচ্ছে। এতে একাধিক ঠিকাদারের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ আরম্ভ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এসব দিক বিবেচনায় বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।

কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের অনুরোধ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমাতে চট্টগ্রামে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপীলাত ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। মঙ্গলবার এক ফ্যাক্স বার্তায় এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমানের প্রতি এ অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

চেম্বার সভাপতি তাঁর অনুরোধ পত্রে উল্লেখ করেন বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পসহ বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের দফতর এবং সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি তিনটি ইপিজেড এবং বেসরকারী বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে বিদ্যমান রয়েছে। এ সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানি-রফতানিসহ উৎপাদন এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের শুল্কায়ন ও ভ্যাট জটিলতা দেখা দিলে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপীলাত ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়ে থাকে। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল ঢাকায় অবস্থিত হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে নিয়মিত ঢাকা গিয়ে মামলার তদারকিতে সমস্যা হয়।

প্রকাশিত : ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

০৯/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: