২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

গ্রীসের দ্বীপগুলোতে ৩০ হাজার শরণার্থী ও অভিবাসী


গ্রীসের দ্বীপগুলোতে এখন ৩০‘হাজার শরণার্থী ও অভিবাসী রয়েছে। তার মধ্যে লেসবন দ্বীপেই রয়েছে ২০ হাজার। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র মেলিসা ফ্লেমিং মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন। এদিকে লেসবনে সোমবার রাতে পুলিশের সঙ্গে শরণার্থীদের নতুন করে সংঘর্ষ হয়েছে। গ্রীক কর্তৃপক্ষ বলেছে, প্রতিদিনই শরণার্থী আসায় এই সঙ্কট শোচনীয় পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। অপরদিকে হাঙ্গেরী-সার্বিয়া সীমান্তের কাছে পুলিশি বাধা ভেঙ্গে হেঁটেই রাজধানী বুদাপেস্টের দিকে অগ্রসর হয় শরণার্থীরা। খবর এএফপি, বিবিসি ও ওয়েবসাইটের।

তবে ব্রাজিল দু’হাত বাড়িয়ে সিরীয় শরণার্থীদের স্বাগত জানাবে বলে দেশটির প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ সোমবার এ কথা বলেছেন। শুধু ব্রাজিল নয় লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ সিরীয় শরণার্থী নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। লেসবনে প্রায় দুই হাজার ৫০০ শরণার্থীকে সামলাতে হিমশিম খায় বহু সংখ্যক কোস্টগার্ড ও সশস্ত্র দাঙ্গা পুলিশ। তারা এথেন্সের সরকারী চার্টার্ড জাহাজের দিকে ধাবিত হলে পুলিশ তাদের সরে যেতে বলে। যুদ্ধ ও দারিদ্র্যের কারণে মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে তুরস্ক হয়ে বা ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে গ্রীস, মেসিডোনিয়া ও সার্বিয়া হয়ে এখনও কাতারে কাতারে মানুষ ইউরোপে আসছেন। হাঙ্গেরী-সার্বিয়া সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম রোসজকি শিবিরে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত প্রায় ৩০০ শরণার্থীরা সোমবার পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে একটি মহাসড়কের রং-সাইড ধরে রাজধানী বুদাপেস্টের দিকে হেঁটে এগিয়ে যেতে শুরু করে। পেপার স্প্রে ব্যবহার করেও পুলিশ তাদের গতিরোধ করতে পারেনি। এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ প্রস্তাব করেন, ইউরোপের প্রতিটি দেশ শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে বাধ্য থাকবে, এমন একটি কোটা ব্যবস্থা ইইউ চালু করুক। কিন্তু এ প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে চেক রিপাবলিক, সেøাভাকিয়া ও রোমানিয়া। চেক ও সেøাভাক প্রধানমন্ত্রীরা জানিয়েছেন, তাদের দেশ এ সমস্যার সমাধানে ঐচ্ছিক সাহায্য দেবে।

তবে ব্রাজিলের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় রুসেফ বলেন, যারা নিজ দেশ থেকে পালিয়ে আসছে তাদের স্বাগত জানাতে ব্রাজিলের আগ্রহের কথা আমি পুনর্ব্যক্ত করতে চাই। তারা এখানে এসে বাস করুক এবং ব্রাজিলের শান্তি ও সমৃদ্ধিতে অবদান রাখুক। বিশেষ করে সঙ্কটকালীন এই কঠিন সময়ে আমরা হাত বাড়িয়ে তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছি। ২০১১ সালে সিরিয়ায় সংঘাত শুরুর পর থেকে ব্রাজিল ২ হাজারের বেশি সিরীয় শরণার্থীকে আশ্রয় করেছে। তাদের শরণার্থী গ্রহণের এ সংখ্যা লাতিন আমেরিকার অন্য যে কোন দেশের চেয়ে বেশী। এদিকে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তার পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ২০ হাজার সিরীয় শরণার্থীকে গ্রহণে নির্দেশ দিয়েছেন।