মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

দুনীতির এ চর্চা বন্ধ করা উচিত-অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০২:৫৪ পি. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত জনগোষ্ঠী জ্ঞানের অভাবে আন্দোলন করছে। শিক্ষকদের পদোন্নতির নিয়মটি নিজেরা তৈরি করে নিয়েছেন। তাই তাদের পদোন্নতি ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে। পে-স্কেলে কী আছে, তারা সেটা না বুঝেই আন্দোলন করছেন। তারা সবাই অধ্যাপক হতে চান, তাদের দুনীতির এ চর্চা বন্ধ করা উচিত।

মঙ্গলবার দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ে পে-স্কেল পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকেদর তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রায়ই বলা হয় সরকারি চাকুরেদের বেতন কম, তাই তারা ঘুষ খান। এটাও ঠিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভালো বেতন না পাওয়ায় দুর্নীতি অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছিলো। নতুন এই পে-স্কেল দেওয়ায় এখন অনেকটা কমে যাবে।

মুহিত বলেন, কিছু মানুষ আছে যারা সব সময় দুর্নীতি করে। সেটা কোনো দিনই বন্ধ হবে না। তবে এদের দুর্নীতি বন্ধ করতে জনগণের মতামত নিতে হবে। কারণ টাকাটা জনগণই দেয়।

সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ায় দ্রব্যমূল্য বাড়ার সম্ভাবনা নেই। যদি বাড়ে সরকার তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে বলেও মনে করেন তিনি।

মুহিত বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর কোনো পে-স্কেল হবে না। পে-স্কেলে কোনো পরিবর্তন, সংযোজন-বিয়োজন দরকার হলে একজন কর্মকর্তারা নিয়োগ করা হবে। তিনি প্রতি বছর মন্ত্রিপরিষদে রিপোর্ট করবেন। আর সেই রিপোর্টের আলোকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ পে-স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আর কোনো অভিযোগ থাকবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একযোগে অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বতন্ত্র পে-স্কেলের দাবিতে পূর্ণদিবস কর্ম বিরতি শুরু করেছেন।

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০২:৫৪ পি. এম.

০৮/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: