২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ইউ সদস্যদের বেশি শরণার্থী নিতে জার্মানির চাপ


অনলাইন ডেস্ক ॥ রেকর্ড সংখ্যক শরণার্থীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাওয়া জার্মানি ইউরোপীয় অপর সদস্যদের আরও বেশি শরণার্থী গ্রহণে জন্য চাপ দিয়েছে। না হয় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে।

এদিকে সোমবার হাঙ্গেরির সীমান্তে বেপরোয়া শরণার্থীরা একটি অভ্যর্থনা কেন্দ্রে পুলিশের অবরোধ ভেঙে রাজধানী বুদাপেস্টের দিকে রওয়ানা হলে ইউরোপের শরণার্থী সঙ্কটের নতুন পর্ব শুরু হয়।

শনিবার সকাল থেকে রবিবারের মধ্যে জার্মানিতে ২০ হাজার শরণার্থী প্রবেশ করার পর সোমবার জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল শরণার্থীদের এই চাপকে ‘শ্বাসরোধী’ বলে বর্ণনা করেছেন।

এই সঙ্কট সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি তার দেশের নাগরিকদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন।

বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাইরের অনেক লোকের কাছে জার্মানি একটি আশার দেশে পরিণত হয়েছে দেখে আমি খুশি।

জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল ও ভাইস চ্যান্সেলর সিগমার গ্যাব্রিয়েল তাদের আশার বার্তার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) যেসব অংশীদার শরণার্থীদের কোটা বাড়াতে অস্বীকার করেছেন তাদের সতর্কও করেছেন।

মূলত সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে শরণার্থীদের ঢল ইউরোপের দিকে ছুটছে। এই শরণার্থীদের নিজেরা গ্রহণ করার পাশাপাশি ইইউ-র অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেও অতিরিক্ত শরণার্থী গ্রহণ করার জন্য চাপ দিচ্ছে জার্মানি, ফ্রান্স ও বেলজিয়াম।

পূর্ব ইউরোপ ও অন্যান্য যেসব রাষ্ট্র শরণার্থীদের নিতে অস্বীকার করছে তাদের সতর্ক করে গ্যাব্রিয়েল বলেছেন, এটি ইউরোপের জন্য নাটকীয় রাজনৈতিক ধাক্কা হয়ে দেখা দেবে। পাশপাশি অর্থনৈতিক ধাক্কা হয়েও দেখা দেবে। যেসব দেশ বলছে, আমরা এখন সাহায্য করতে পারবো না তারাও এ থেকে রেহাই পাবে না।

‘গ্রিস-এক্সিটের’ ঝুঁকি থেকে বের হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই ইইউ আরেকটি সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছে। শরণার্থী সঙ্কটই এখন ইইউ-র জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

শরণার্থীদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কীভাবে বণ্টন করে দেওয়া হবে তা নিয়ে একটি নতুন প্রস্তাব বুধবার ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ-ক্লদ জাঙ্কারের দেওয়ার কথা রয়েছে।