মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

শিশুর বয়স হলেই স্কুলে ভর্তি নিতে হবে-প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০২:০৫ পি. এম.

অনলাইন রিপোর্টার ॥ স্কুলে যাওয়ার বয়স হলেই সব শিশু যাতে ভর্তি হতে পারে, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, যখনই একটা শিশুর ভর্তির বয়স হবে, তখনই তাকে ভর্তি নিতে হবে। শিক্ষা তার মৌলিক অধিকারগুলোর একটি।

ক্লাস ওয়ানে ছাপানো প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হবে কেন? যদি ছাপানো প্রশ্নপত্র দিয়েই ভর্তি হবে, তাহলে আর তাকে পড়াবে কী? এসব প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শহর এলাকার স্কুলের মানোন্নয়নেরও তাগিদ দেন তিনি বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন পড়তে পারে সেজন্য শহরের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো উন্নত করা দরকার।

এ সময় অনুষ্ঠানমঞ্চে উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ও সচিব মেছবাহ উল আলমের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি অনুরোধ করব, জরাজীর্ণ স্কুলগুলো মেরামত ও উন্নত করা দরকার।… ছেলে-মেয়েরা তাদের প্রথম শিক্ষা পাড়ার স্কুল থেকেই নেবে, পাড়ার স্কুলেই ভর্তি হবে।

শিশুরা যাতে স্কুলে আসতে আগ্রহী হয় সেজন্য আরও পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন শেখ হাসিনা।

প্রাথমিক শিক্ষাকে মূল ভিত্তি হিসাবে ধরে শিক্ষা কাঠামোকে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেমনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এমন কোনো পাঠ্যসূচি নেওয়া ঠিক হবে না, যা শিশুদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করে। একটা শিশু স্কুলে যেতেই পারল না, তার ওপর বইয়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হল। পড়ার বোঝা… হোম ওয়ার্কের বোঝা। এতে করে ভীতি এসে যায়।

‘বইয়ের বোঝা’ চাপিয়ে দিলে পড়াশোনার প্রতি ‘অনীহা সৃষ্টি হয়’ মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলাসহ অন্য যেভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়, সে ধরনের উদ্যোগ তাদের জন্য নিতে হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকায় ইউনেস্কোর আবাসিক প্রতিনিধি বিয়াট্রিস কালডুন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সচিব মেজবাহ উল আলম। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক রুহুল আমীন সরকার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

১৯৯৬ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এবারের আন্তর্জাতিক এ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- সাক্ষরতা আর দক্ষতা, টেকসই সমাজের মূল কথা।

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০২:০৫ পি. এম.

০৮/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: