২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ


ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

নিজস্ব সংবাদদাতা,ভোলা॥ ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে গত ৮ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবৈধ ট্রলার মালিকরা যাত্রীদের জীবনের ঝুঁিক নিয়ে উত্তাল মেঘনা নদীতে পাড়ি দিয়ে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ ট্রলারে যাত্রী পারাপার করতে গিয়ে সোমবার রাতে ইলিশা ফেরিঘাট এলাকায় ট্রলার থেকে নামতে গিয়ে চাইন ভেঙ্গে ৪ যাত্রী নদীতে ডুবে যায়। ৩ যাত্রী উদ্ধার হলেও শাহাজাল (৫০) নামে এক যাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। মঙ্গলবার সকালেও ওই যাত্রীকে নদীতে খোঁজা হয় এবং এলাকায় মাইকিং করা হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার ও সকালে ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ইউসুব মাঝি, বেল্লাল, সালাউদ্দিন,খোরশেদ মাঝির ৫টি ট্রলারে যাত্রী পারাপার করে। এ ব্যাপারে ভোলা থানাও সি খায়রুল ইসলাম বলেন,নিখোঁজ যাত্রীর এখনও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবৈধ এসব ট্রলার ঘাটে না ভিরে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী নামিয়ে চলে যায়। তাদের আটকের নির্দেশ দেয়া হয়েছে ইলিশা পুলিশ ফাড়িকে।

অপর দিকে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড মেঘনা নদীর ভাঙ্গন রোধ করতে না পারায় গত বুধবার দুপুর প্রবল জোয়ারের চাপে ফেরীঘাটে সংযোগ সড়ক ধ্বসে পড়লে ফেরী চলাচল বন্ধ করে দেয় ফেরী কর্তৃপক্ষ । গত এক মাসে এ নিয়ে তৃতীয় বারের মতো ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটের ফেরী চলাচল। বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোলার সাথে দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সাথে চট্রোগ্রামের সহজ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিক, মালিক ও সাধারন যাত্রীরা। কবে নাগাদ ফেরিচলাচল শুরু হবে তাও কেউ বলতে পারছে না।

এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী শাহে নেওয়াজ কবির সাংবাদিকদের জানান, সড়ক,পানি উন্নয়ন বোর্ড,এলজিইডিসহ বিআইডব্লিউটিএর ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি হয়েছে। তারা আগামী ৭ দিনের মধ্যে ভোলা ইলিশা ফেরিঘাট এলকায় স্থায়ী বা অস্থায়ী ঘাট নির্মানের স্থান নির্ধারন করা হলে কাজ শুরু হবে।