মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

নববর্ষ ভাতা নতুন পে-স্কেলের এক ব্যতিক্রর্মী পদক্ষেপ

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১২:৩৩ এ. এম.

এম শাহজাহান ॥ সার্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে নতুন পে-স্কেলে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি উৎসব ভাতা ঘোষণা করেছে সরকার। এটি হলো নববর্ষ ভাতা। প্রতি বছর বৈশাখ উপলক্ষে এই ভাতা দেয়া হবে। এর পরিমাণ হবে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ। অর্থাৎ ২০তম গ্রেডের একজন সরকারী কর্মচারী পহেলা বৈশাখে বেতনের সঙ্গে আরও ১ হাজার ৬৫০ টাকা ভাতা পাবেন। এতদিন ধরে ধর্মীয় উৎসবে বছরে দুটি বোনাস দেয়া হলেও নতুন এই ভাতাকে অসাম্প্রদায়িক উৎসব ভাতা হিসেবে দেখছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানান, উৎসব ভাতা যা আছে তা ধর্মভিত্তিক। কেউ ঈদে, কেউ পুজোয়, কেউ বৌদ্ধ পূর্ণিমায় বা কেউ বড়দিনে বোনাস পায়। সব ধর্মের, সব সম্প্রদায়ের মানুষ একই সময়ে কোন ভাতা বা বোনাস পাচ্ছে না। তাই এখন থেকে বাংলা নববর্ষে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মাচরীদের উৎসব ভাতা দেয়া হবে। এতদিন মূল বেতনের সমান হারে বছরে কেবল দুটি উৎসব বোনাস দেয়া হতো সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

বৈশাখী ভাতাকে সার্বজনীন উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পহেলা বৈশাখে গ্রামের তৈরি পণ্য বেশি কেনাবেচা হয়, এটা গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে। দেশীয় সংস্কৃতি ও শিল্পের বিকাশ ঘটবে এই নববর্ষের ভাতার মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, বৈশাখী ভাতা চালু হওয়ায় বাংলা সংস্কৃতির বিকাশে সহায়ক হবে, এটা বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসার প্রতিফলন। বর্ষবরণের এই উৎসব বাংলাদেশে সার্বজনীন।

এই ভাতার ফলে সকল ধর্মের সকল সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী এই সার্বজনীন উৎসবে নিজেদের আরও সম্পৃক্ত করতে পারবেন। পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও শিল্পের প্রতি মানুষের ভালবাসা বাড়বে। বর্তমান সরকারের এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১২:৩৩ এ. এম.

০৮/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: