১৬ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

এবার ঈদে কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ হচ্ছে না


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আসছে ঈদে কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণে আগ্রহী নন চামড়া ব্যবসায়ীরা। বিশ্ব বাজারে চামড়ার দাম অব্যাহতভাবে কমতে থাকায় রফতানিতে ভাটার আশঙ্কা তাদের। তাই এবার দর কষাকষি করে চামড়া কেনার দাবি ব্যবসায়ীদের।

বাংলাদেশ ফিনিসড লেদার, লেদার গুডস এ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার এ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) সভাপতি আবু তাহের বলেন, এমনিতেই লোকসানে আছি। তার ওপর আবার দাম নির্ধারণ করে দিলে ব্যবসা করাই কঠিন হয়ে যাবে। তাই আমরা এবার চামড়ার দাম নির্ধারণ করার বিপক্ষে। যে যেভাবে পারে কিনবে।

এ বিষয়ে ফিনিসড লেদার এ্যান্ড লেদার গুডস এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন জানান, কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা সুযোগ খোঁজে। ওরা কম দামে কিনলেও বিক্রি করতে এসে বলে নির্ধারিত দামেই কেনা। ফলে আমরা আর দর কষাকষি করতে পারি না। যে কারণে লোকসানের আশঙ্কা থাকে। তাছাড়া অনেক সময় মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও ঠকেন। দেখা যায়, তারা কেনার পর সময় মতো বিক্রি করতে পারেন না আড়তে চাহিদার অভাবে। ফলে অনেক চামড়া নষ্ট হয়। তাই এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবারই অভিমত, কাঁচা চামড়ার কোন দাম নির্ধারণ করা যাবে না।

দেশীয় বাজারে বর্তমানে প্রতি বর্গফুট ভালো মানের গরুর চামড়ার দাম ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। মিডিয়াম মানের চামড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা প্রতি বর্গফুট। এছাড়া যেগুলোর কোয়ালিটি নিম্নমানের সেগুলো ৪০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকার মধ্যেই কেনাবেচা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এর আগের বছরগুলোতে ঈদের এক সপ্তাহ আগেই চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয়া হতো চামড়া রফতানিকারক সংস্থা থেকে। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত সব ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে কথা বলেই এ দাম নির্ধারণ হতো। এবার আর তা হচ্ছে না। গত বছরও ব্যবসায়ীরা চামড়ার দাম নির্ধারণ করা থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দেয়ার পরদিনই শিল্প মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু দাম নির্ধারণ করার বিষয়টি ব্যবসায়ীদের জানান। এরপর দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়। গত বছর প্রতি বর্গফুট ভালো চামড়া ১০০ টাকা থেকে শুরু ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

মির্জা আব্বাসের পুনর্নিয়োগের আবেদন বাতিল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়ায় ঢাকা ব্যাংকের পরিচালক পদে মির্জা আব্বাসের পুনর্নিয়োগ আবেদন বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘তিনি (মির্জা আব্বাস) ফৌজদারি মামলার আসামি। আর একজন আসামি একটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে জনগণের আমানতের সুরক্ষা প্রদান করতে পারবেন না। কারণ তিনি আসামি হওয়ার কারণে নিয়মিতভাবে ব্যাংকের মিটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন না। সে কারণেই আমরা পুনর্নিয়োগ আবেদন বাতিলের ব্যাপারে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত ঢাকা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ১২টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১১টিতে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অনুপস্থিত ছিলেন মির্জা আব্বাস।