১২ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ডাগআউটে দাঁড়াবেন কোচ ক্রুইফ


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অন্যায় করলে তার শাস্তি পেতেই হবে। সেই শাস্তি ইতোমধ্যেই পেয়ে গেছেন লোডভিক ডি ক্রুইফ। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের এই ডাচ্ কোচের শাস্তি ছিল দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এবং সাড়ে আট হাজার সুইস ফ্রাঙ্ক জারিমানা। শাস্তি শেষে আজ ক্রুইফকে আবারও কোচের ভূমিকায় ডাগআউটে দেখা যাবে বাংলাদেশ বনাম জর্দান ম্যাচে, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।

ঘটনাটা গত ১১ জুনের। ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কিরগিজস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন ক্রুইফ। এর পরিণাম হয় তার ওপর শাস্তির খ—গ নেমে আসা। ওই খেলায় চলার সময়েই তাকে মাঠ থেকে বের করার নির্দেশ প্রদান করেন সিঙ্গাপুরের রেফারি সুখবীর সিং। এর ফলে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী দুই ম্যাচে তাজিকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দর্শকের ভূমিকায় থাকতে হয় ডাচ্ম্যান ক্রুইফকে। ক্রুইফের সাজার মেয়াদ কমানোর জন্য ফিফা বরাবর কোন আপীল করেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। কারণ ফিফার কোড অব কন্ডাক্টে শাস্তির মেয়াদ কমানোর বিধান না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বাফুফে।

বাফুফে প্রথমে জানিয়েছিল জরিমানার টাকা ক্রুইফকেই নিজের পকেট থেকে দিতে হবে। পরে অবশ্য বাফুফে জানায়, টাকাটা তারাই দিয়ে দেবে। যদিও সেই জরিমানার টাকা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। এ প্রসঙ্গে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানান, ‘যথাসময়েই ক্রুইফের জরিমানার অর্থ পরিশোধ করা হবে। তবে এতে করে মঙ্গলবার জর্দানের বিপক্ষে কোচ হিসেবে ডাগআউটে ক্রুইফের দাঁড়ানোতে কোন বাধা থাকবে না।’

অবশ্য এ ধরনের শাস্তি পাওয়ার অভিজ্ঞতা আগেও ছিল ক্রুইফের। এর আগে ২০১৩ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে ডাগআউটে দাঁড়িয়ে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করায় ‘মার্চিং অর্ডার’ পেয়েছিলেন তিনি।

কয়েক মাস আগে কিরগিজস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে শিষ্যদের পারফর্মেন্সে অসন্তুষ্ট হয়ে মাঠে বোতল ছুড়ে মেরেছিলেন ক্রুইফ। শুধু তাই না, এমন অশোভন আচরণের কারণ জানতে চাইলে মেজাজ হারিয়ে সিঙ্গাপুরের রেফারি সুখবীর সিংয়ের সঙ্গেও বিবাদে জড়িয়ে পড়েন ক্রুইফ। বিষয়টি মোটেও ভালভাবে নেননি ম্যাচ রেফারি। তাই এর মাসুল গুনতে হয় ক্রুইফকে।

ফিফার পক্ষ থেকে এমন সাজা পাওয়ার পর বিষয়টি সুরাহায় বাফুফের শরণাপন্ন হন ক্রুইফ। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোড অব কন্ডাক্টে এই সাজার মেয়াদ কমানোর বিধান না থাকায় ক্রুইফকে কোন সুসংবাদ দিতে পারেনি বাফুফে।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: