১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ইংলিশদের টিকে থাকার লড়াই


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ইংল্যান্ড ও সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে আজ। ওল্ট ট্র্যাফোর্ডে খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায়। টানা দুই জয়ে ২-০তে এগিয়ে অতিথি অসিরা। সিরিজ বাঁচিয়ে রাখতে স্বাগতিক ইংলিশদের জন্য এ ম্যাচটি তাই ‘ডু অর ডাই’। কাজটা ইয়ান মরগানদের জন্য কঠিন। কারণ দুটি ম্যাচেই পাত্তা পায়নি তারা। সাউদাম্পটনের প্রথম ওয়ানডেতে ৫৯ ও লর্ডসে বেন স্টোকসের অনাকাক্সিক্ষত আউট ঘিরে বিতর্কের দ্বিতীয় ম্যাচে ৬৪ রানের বড় ব্যবধানে হারে ইংল্যান্ড। প্রতাপের সঙ্গে এ্যাশেজ টেস্ট জিতে শুরু করলেও বাংলাদেশের কাছে হেরে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয়া মরগান বাহিনী রঙ্গিন পোশাকে কঠিন সময়ই পার করছে।

দু’দলেই রয়েছে ইনজুরি, অফ-ফর্মসহ নানান সমস্যা। আজ ও শেষ দুই ওয়ানডেতে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে ইংল্যান্ডের জস বাটলারকে। তার পরিবর্তে নেয়া হয়েছে উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টোকে। এ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে মাত্র ১৫.২৫ গড়ে ১১২ রান করেছিলেন বাটলার। দুই ওয়ানডেতে করেছেন ৪ ও ২৪। জয়ের বিকল্প নেই এমন পরিস্থিতিতে তাই বেয়ারস্টোর স্মরণাপন্ন ইংল্যান্ড। মাত্র ৯ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন ২৫ বছর বয়সী বেয়ারস্টো। এক হাফসেঞ্চুরিতে ৪০.৪০ গড়ে করেছেন ২০২ রান। অন্যদিকে শেন ওয়াটসন ও নাথান কোল্টার নাইল ইনজুরিতে ভোগায় সিরিজে বাকি ম্যাচগুলোর জন্য অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ডাক পেয়েছেন জস হেস্টিংস ও পিটার হ্যান্ডসকম্ব। অসিদের হয়ে রঙ্গিন জার্সিতে সর্বশেষ চার বছর আগে খেলেছিলেন অলরাউন্ডার হেস্টিংস। আর ২৪ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান হ্যান্ডসকম্বের অভিষেকই হয়নি।

২৯ বছর বয়সী হেস্টিংস ১১ ওয়ানডে খেলেছেন। ব্যাট হাতে ১৬.৪০ গড়ে করেছেন ৮২ রান। বোলিংয়ে ৪.৫০ ইকোনমি রেটে নিয়েছেন ৮ উইকেট। অন্যদিকে, প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ৪৪ ম্যাচে ৩৫.৮৯ গড়ে ২,৪৪১ রান করেন হ্যান্ডসকম্ব। সেখানে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যানের রয়েছে ১৭ হাফসেঞ্চুরি ও ৪ সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে যাওয়া তারকা ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের পরিবর্তে খেলবেন এ্যারন ফিঞ্চ। তাতে অবশ্য অসিদের খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। কারণ ব্যাটে-বলে দারুণ ছন্দে রয়েছেন অধিনায়ক স্মিথ, জর্জ বেইলি, ম্যাথু ওয়েড, মিচেল মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, প্যাট কুমিন্স ও মিচেল স্টার্করা। যাদের পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাটা ভালমাতোই রয়েছে। দুটি ম্যাচেই সেটি করে দেখিয়েছে তারা।

ইনজুরি সমস্যা কম থাকলেও তাই চ্যালেঞ্জটা ইংল্যান্ডেরই বেশি। কারণ টেস্ট আর ওয়ানডে যে এক নয়, ইয়ন মরগানের দল প্রথম ওয়ানডেতেই সেটি টের পেয়েছে। ৫৯ ও ৬৪ রানের বড় হারে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০তে পিছিয়ে পড়েছে তারা। এ্যালিস্টার কুকের নেতৃত্বে এ্যাশেজ-সাফল্যে (টেস্টে) স্বপ্ন বুনছিলেন মরগানরা। কিন্তু ওয়ানডে সিরিজে এ পর্যায়ে কোণঠাসা মরগানরা। তবে এখনই হাল ছাড়তে চায় না তিনি।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: