২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

কাজে স্বচ্ছতা আনতে এনবিআরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি


কাজে স্বচ্ছতা আনতে এনবিআরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কাজে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নে এনবিআরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিবের সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুবিভাগ আয়কর, শুল্ক ও মূসক এবং জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুলতান উল ইসলাম চৌধুরী, মোঃ আব্দুর রউফ, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেগম মাহমুদা আক্তার মীনা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক নীতি) ফরিদ উদ্দিন, সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি) মোঃ এনায়েত হোসেন, সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, প্রেসিডেন্ট, ট্যাকসেস আপীলাত ট্রাইব্যুনাল মোঃ সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্য, কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপীলাত ট্রাইব্যুনাল ফৌজিয়া বেগম প্রমুখ।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠান শেষে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমান বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে সরকারি কাজের সুষ্ঠু সমন্বয় সাধন ও সুশাসন নিশ্চিত হবে। পাশাপশি সবার মাঝে সুষ্ঠু সমন্বয়, কারিগরি সহযোগিতা এবং পেশাসুলভ আন্তরিকতা কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন আর কাজে গতিশীলতা আসবে বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প- ২০২১’ বাস্তবায়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, শিক্ষিত এবং স্বাবলম্বী শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মূলত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা দলিল।

জানা যায়, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জনে করা কাজ এবং এর ফলাফল পরিমাপের সূচক ও লক্ষ্যমাত্রাসমূহ উল্লেখ থাকে। এতে সংশ্লিষ্ট অর্থবছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঐ বছরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা প্রকৃত অর্জন মূল্যায়ন সহজ হয়।