২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

১৫ তুর্কি সেনা হত্যার কুর্দি বিদ্রোহীদের দাবি


অনলাইন ডেস্ক ॥ দক্ষিণপূর্ব তুরস্কের ইউকসেকোভা জেলায় তুর্কি সেনাবাহিনীর একটি বহরে হামলা চালিয়ে ১৫ সেনাকে হত্যা করেছে বলে দাবি কুর্দি বিদ্রোহীদের।

রবিবার চালানো এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় কুর্দি বিদ্রোহীদের বেশ কয়েকটি অবস্থান লক্ষ করে বিমান হামলা চালিয়েছে তুর্কি সামরিক বাহিনী।

অনলাইনে পোস্ট করার এক বিবৃতিতে তুরস্কে নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) জানিয়েছে, ইউকসেকোভা জেলায় তাদের গেরিলারা সেনাবাহিনীর একটি সাঁজোয়া বহরে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কয়েকদিক থেকে চালানো এ হামলায় ১৫ সেনা নিহত হয়, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্রও জব্দ করা হয়।”

কুর্দিদের দাবি সত্য হলে এটি জুলাইয়ে অস্ত্রবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর তুর্কি সেনাবাহিনীর উপর চালানো বিদ্রোহীদের সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা।

নিরপেক্ষ কোনো সূত্রের মাধ্যমে দাবিটির ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে হাক্কারি প্রদেশে একটি ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

প্রদেশটির অবস্থান দেশটির দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে ইরাক ও ইরানের সীমান্তে।

ঘটনার সময় তুরস্কের কোনিয়া শহরে দেশের জাতীয় ফুটবল দলের ম্যাচ দেখছিলেন প্রধানমন্ত্রী আহমেত দাভুতোগলু।

হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলা দেখা বাদ দিয়ে রাজধানীতে ফিরে যান তিনি।

তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলার প্রতিক্রিয়ায় পিকেকের অন্ততপক্ষে ১০টি লক্ষে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে তুর্কি জঙ্গিবিমানগুলো। এসব লক্ষের মধ্যে চোরাগোপ্তা হামলাকারীরাও ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

জুলাইয়ে উত্তর ইরাকে পিকেকের ঘাঁটিতে তুর্কি বিমান হামলার জেরে দুপক্ষের অস্ত্রবিরতি ভেঙে যায়। তারপর থেকে উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ ও বোমা হামলায় এ পর্যন্ত তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনীর অন্ততপক্ষে ৭০ জন সদস্য ও পিকেকের কয়েকশ গেরিলা নিহত হয়েছেন।