২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঈদে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা


অনলাইন রির্পোটার ॥ মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আসন্ন কোরবানির ঈদে ঢাকায় আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

গত ৩ সেপ্টেম্বর মহানগর পুলিশের সব অতিরিক্ত কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, উপকমিশনার, অতিরিক্ত উপকমিশনার, সহকারী কমিশনার, পুলিশের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই চিঠি পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, ′′পশুর হাটকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ, বিশেষ করে চুরি, ছিনতাই, দস্যুতা, মারামারি, ডাকাতি, খুনের মত ঘটনা ঘটতে পারে।′′

ঈদের সময় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই রোধে এসব অপরাধে জড়িতদের এলাকাভিত্তিক তালিকা করে তাদের আইনের আওতায় আনতে বলা হয়েছে।

ঈদ সামনে রেখে শ্রমিকদের বেতনভাতা নিয়ে তৈরি পোশাক খাতে যেন কোনো অসন্তোষ তৈরি না হয়, সে ব্যাপারেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। প্রয়োজনে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথাও বলা হয়েছে।

এবার ঈদে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০টি, উত্তর সিটি করপোরেশনে সাতটি এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের অধীনে ছয়টি- মোট ২৩টি পশুর হাট বসছে।

′′ঈদে পশুর চামড়া কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এলাকাভিত্তিক প্রভাব বিস্তার, মাস্তানি এবং খুনোখুনির ঘটনা ইতিপূর্বে লক্ষ করা গেছে। এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সে ব্যাপারে অগ্রিম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে,′′ বলা হয়েছে পুলিশ কমিশনারের চিঠিতে।

এ ছাড়া পশুর হাটে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা, পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন; জাল টাকা চিহ্নিত করার মেশিন সরবরাহ করাসহ হাটে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করতে ইজারাদারদের নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে এই চিঠিতে।

পশু ব্যবসায়ীদের টাকা আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সহায়তাও দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।

এ ছাড়া উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে পশু ব্যবসায়ীরা ঢাকা হয়ে কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম যাওয়ার কারণে রাজধানীতে যানজটও বেড়ে যাবে বলে সতর্ক করা হয়েছে চিঠিতে। এই পরিস্থিতিতে ′জনগণের আস্থা ধরে রাখতে′ ′সন্ত্রাসী′ ও ′অজ্ঞানপার্টির′ তৎপরতা প্রতিরোধ, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পুলিশ বাহিনীকে।