২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

চট্টগ্রামে কোকেন মামলা আরেকটি ড্রামের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ সানফ্লাওয়ার অয়েল ঘোষণায় দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া থেকে আমদানি করা সেই চালানের আরও একটি ড্রামে কোকেন রয়েছে কিনা তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রবিবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম নুরুল আলম মোহাম্মদ নিপুর আদালত ওই ড্রাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঢাকার ল্যাবরেটরীতে প্রেরণের আদেশ দেন।

মামলার তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর চালানটির ৫৯ নম্বর ড্রামেও কোকেন রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। ড্রামটি পুনঃপরীক্ষার জন্য গত ২৭ আগস্ট আদালতে আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তা, নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (উত্তর) মোঃ কামরুজ্জামান। এ ড্রামেও কোকেন থাকতে পারে বলে সন্দেহ অধিদফতরের। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান জানান, এর আগে গত ৩০ আগস্ট ২৯ নম্বর ড্রামটি থেকে নমুনা সংগ্রহের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। সে অনুযায়ী নমুনা সংগ্রহ করে রবিবার তা আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালত সে নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরীক্ষাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে সিলগালা করা হয় বলিভিয়া থেকে আসা কন্টেনারটি। সানফ্লাওয়ার অয়েলের ঘোষণায় পণ্যগুলো আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। এতে কোকেন থাকতে পারে এমন তথ্যের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আটক করার পর ৮ জুন কন্টেনারটি খোলা হয়। ভেতর থেকে বের করা হয় ১০৭টি ড্রাম, যার প্রতিটিতে রয়েছে ১৮৫ কেজি করে ক্রুড অয়েল। প্রাথমিক নমুনা পরীক্ষায় কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত পরীক্ষার জন্য ঢাকার ল্যাবে পাঠানো হয়। এতে ৫৬ নম্বর ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়।

উল্লেখ্য, সানফ্লাওয়ার অয়েল ঘোষণায় এ চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জের খান জাহান আলী লিমিটেড। প্রথমেই গ্রেফতার করা হয় এ প্রতিষ্ঠানের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচাড়ির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেলকে। এ ঘটনায় সোহেল ও খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদকে আসামি করে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলায় এ পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার বাকি ৫ জন হলেনÑ কসকো শিপিং লাইনের ম্যানেজার একে আজাদ, গার্মেন্টস পণ্য রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মন্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদী আলম, সিএ্যান্ডএফ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এবং আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল। এদের সকলকেই বিভিন্ন মেয়াদে একাধিক দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: