মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

পাঁচ আসামির মালামাল ক্রোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

প্রকাশিত : ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • না’গঞ্জে ৭ খুন

নিজস্ব সংবাদদাতা, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ৬ সেপ্টেম্বর ॥ নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ৭ খুন মামলার চার্জশীটভুক্ত র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২২ জনকে নিয়মিত হাজিরা শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রবিবার সকাল ১০টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম শফিকুল ইসলামের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পলাতক র‌্যাবের ৮ সদস্যসহ মোট ১৩ জনের মধ্যে ৮ জনের মালামাল ক্রোকের আদেশ কার্যকর হলেও ৫ জনের ঠিকানা শনাক্ত না হওয়ায় দ্রুত মালামাল ক্রোকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) তারেক সাঈদের পক্ষে মামলা লড়তে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এ্যাডভোকেট সারোয়ার মিয়ার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল আদালতে এসে অনুমতি চেয়ে শুনানিতে অংশ নিয়ে বলেন, এই দুটি মামলায় অনাকাক্সিক্ষতভাবে বারের একজন সিনিয়র আইনজীবীর সম্পৃক্ততা থাকায় নারায়ণগঞ্জ বার থেকে আসামিদের পক্ষে কোন আইনজীবী না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু সংবিধানে একজন মানুষের পক্ষে আইনী অধিকার পাওয়ার জন্য আইনজীবী নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। আমরা আমাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ বার থেকে একজন আইনজীবী অংশ নিতে বলেছি। আদালত আমাদেরও আশ্বস্তত্ত করেছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ অক্টোবর অংশ নিয়ে আসামি তারেক সাঈদের পক্ষে জামিনের প্রার্থনা করব। আমরা আদালতে নকল তোলার জন্য আবেদন করেছি। অপর ৪ আইনজীবী হলেন এ্যাডভোকেট আজিজুল হক ভূঁইয়া, এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, এ এস এম দেলোয়ার হোসেন ও এ্যাডভোকেট মৌসুমী।

তবে তারেক সাঈদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের বিষয়ে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তারা আদালতে আবেদন দিলেও কোন ওকালতনামা দাখিল করেননি। আইনজীবী সমিতি থেকে নিষেধাজ্ঞার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। তারা যে কাউকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। কিন্তু আইনজীবী নিয়োগ না দিয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়ে বাহবা কুড়ানোর কোন কারণ নেই। আসামিপক্ষ মামলাটি নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে অন্যত্র বদলি করার জন্য এবং মামলাটিতে তারা বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন তৎপরতা শুরু করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, আদালত থেকে পলাতক ১৩ জনের মালামাল ক্রোকে পুলিশকে নির্দেশ দিলেও ৮ জনের মালামাল ক্রোক করা হয়েছে। অপর ৫ জনের ঠিকানা শনাক্ত হয়নি বলে মালামাল ক্রোক করা হয়নি। আদালত মালামাল ক্রোকের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। গত তিন মাসেও আসামিদের মালামাল ক্রোক না করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোডের ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকা থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবীসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। এই ঘটনার তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

প্রকাশিত : ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

০৭/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: