২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

লতিফ সিদ্দিকীর আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ


সংসদ রিপোর্টার ॥ মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কৃত ও দলীয় পদ হারানো সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর টাঙ্গাইল-৪ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। বৃহস্পতিবার রাতে গেজেটটি প্রকাশ করা হয়। এরপর রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গেজেটটি পাঠিয়ে দিয়েছে সংসদ সচিবালয়। এখন নির্বাচন কমিশন ওই শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনের উদ্যোগ নেবে।

সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইং আইন শাখা-২-এর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গেজেটের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গেজেটে বলা হয়, সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী গত ১ সেপ্টেম্বর অপরাহ্নে পদত্যাগ করায় দশম জাতীয় সংসদের ১৩৩ টাঙ্গাইল-৪ আসনটি উক্ত তারিখে শূন্য হয়েছে।

এদিকে লতিফ সিদ্দিকীর আসন শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়ের জারিকৃত গেটেজটি রবিবার নির্বাচন কমিশনের হাতে পৌঁছেছে। এর আগে এ নিয়ে শূন্য হলেও ইসি এখন বলছে, লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল-৪ আসনটি শূন্য ঘোষিত হওয়ায় তার এমপি পদ নিয়ে উত্থাপিত বিরোধটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। তাই স্পীকারের পাঠানো বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেয়ার কিছু নেই বলেই মনে করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানাবে নির্বাচন কমিশন।

গত মঙ্গলবার সপ্তম অধিবেশন শুরুর দিন হঠাৎ করেই সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী সংসদ সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন এবং স্পীকারের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ওই রাতেই আসন শূন্য ঘোষণা সংক্রান্ত গেজেটটি প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়।

স্পীকার লতিফ সিদ্দিকীর আসনটি শূন্য ঘোষণাকালে বলেন, জাতীয় সংসদের আসন ১৩৩ এবং টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী গত ১ সেপ্টেম্বর সংসদে উপস্থিত হয়ে নিজ আসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। আমার কাছে তিনি একটি পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। আমি পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করা মাত্র সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের ২ দফা অনুযায়ী আসনটি শূন্য হয়ে যায়। এছাড়া কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৮-এর ৩ দফা অনুযায়ী কোন সংসদ সদস্য পদত্যাগ করলে সংসদের জানানোর বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কে একটি সংগঠনের অনুষ্ঠানে হজ ও তবলীগ নিয়ে সমালোচনা করার কারণে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ওই ঘটনার জের ধরে তিনি মন্ত্রিত্ব, আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্যপদ এবং সবশেষে দলের প্রাথমিক সদস্যপদও হারান। সর্বশেষ তিনি সংসদ সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেন।