২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেললাইনের কাজ দ্রুত করা প্রায়োজন


ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেললাইনের কাজ দ্রুত করা প্রায়োজন

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ প্রায় চল্লিশ বছরের প্রতিক্ষিত এবং বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ঈশ্বরদী মাজগ্রাম, নগরবাড়ি-ঢালারচর রেললাইন প্রকল্পের নির্মান কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা যাচ্ছে না। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার আনুমানিক ধারনা নিয়ে ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে এই নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়।

প্রকল্পের দায়িত্বশীল সূত্র মতে, বর্ষায় মাটি ভরাটে সমস্যা, মাটি পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় ব্যয়সহ নানাবিধ কারণে ২০১৬ সালের জুনের মধ্যেও এ প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়ত সম্ভব হবে না। এ প্রকল্পে এই পর্যন্ত প্রায় শতকরা ৪৫ থেকে ৫০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাঝগ্রাম থেকে ঢালারচর পর্যন্ত ১’শ ২টি ছোট ব্রিজ এবং ১১টি বড় ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ঈশ্বরদীর মাঝগ্রাম থেকে পাবনা পর্যন্ত ৩৬টি ছোট ও ২টি বড় ব্রিজ এবং পাবনা থেকে ঢালারচর পর্যন্ত ৭৬টি ছোট ও ৯টি বড় ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ রেলপথ নির্মাণ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে উত্তরাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের আমুল পরিবর্তন হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে গুণগত পরিবর্তন ঘটবে। রেলপথে পণ্য পরিবহনে স্বল্প খরচের কারণে এ অঞ্চলে উৎপাদিত কৃষি পণ্য সহজেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এতে করে সবজি চাষে বিখ্যাত ঈশ্বরদী ও আশপাশ অঞ্চলের চাষীদের আর্থিক উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন আসবে। মানুষজনও অল্প সময় ও কম খরচে যাতায়াত করতে পারবে। ঈশ্বরদীসহ পাবনা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন প্রয়াত যোগাযোগ ও রেলমন্ত্রী ক্যাপেন্ট মনসুরের স্বপ্ন তথা এতদঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন ঈশ্বরদী-মাজগ্রাম, পাবনা-ঢালারচড় রেলপথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পূরণ হওয়ার দ্বার প্রান্তে। ঝিকঝিক শব্দে নতুন রেললাইনে চলা নানা প্রকার ট্্েরনে কবে তারা চড়বে তা এ অঞ্চলের মানুষের চোখে মুখে স্বপ্ন ভাবছে।

এ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত রেলওয়ের পাকশী বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বর্ষার কারণে মাটি ভরাট কাজ ব্যাহত হচ্ছে। মাটি ভরাটের পাশাপাশি মাঝগ্রাম, দাশুড়িয়া, টেবুনিয়া ও পাবনায় স্টেশন নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। ঢালারচর পর্যন্ত মোট ১১টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেললাইন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ও পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ আসাদুল হক জানান, প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা নিয়ে বর্ষা শেষে দ্রুত কাজটি শেষ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।