২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

শাহজালালে আটক ব্যক্তির এক মাসের জেল


স্টাফ রিপোর্টার ॥ হজরত শাহ জালাল বিমানবন্দরে ১৬ কেজি সোনা চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে আটক এসএম নুরুল ইসলামকে এক মাসের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ হোসেন এ কারাদন্ড প্রদান করেন। সোনা চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে আটক হলেও মূলত বিমানবন্দরে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে তাকে এ সাজা প্রদান করা হয়। অবৈধভাবে শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের দায়ে কোন ব্যক্তিকে সাজা প্রদানের এটাই প্রথম ঘটনা বলে জানিয়েছে শুল্ক গোয়েšদা।

জানা যায়-আটক ব্যক্তি এস এম নূরুল ইসলাম বিমানবন্দরের প্রাইভেট ক্লীনিং কোম্পানী নাহিদ ট্রেডার্সের মালিক। এ প্রতিষ্ঠানটি বিমানবন্দরে ময়লা পরিষ্কারের কাজে জড়িত। সে সুবাদে তিনি অবাধে বিমানবন্দরে যাতায়াত করা ছাড়াও চোরাচালানে জড়িত বলে জানিয়েছে আর্মড পুলিশ।

শুক্রবার রাতে বিমানবন্দরের আগমনী ইমিগ্রেশানের পাশের একটি টয়লেটে ময়লার ঝুড়িতে লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি সোনা উদ্ধারের সময় এস এম নূরুল ইসলামকে সন্দেহজনক আটক করা হয়। সে সময় তাকে ওই টয়লেট থেকে বের হয়ে আসতে দেখা যায়। সোনা উদ্ধারের সময় তার গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাৎক্ষনিক আটক করা হয় । শনিবার সকালে তাকে বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে এ শাস্তি প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক শফি রহমানকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

বিমানবন্দর থানার পুলিশ জানায়, আটক নুরুল ইসলামের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নাহিদ ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরের ময়লা পরিষ্কারের আড়ালে মাদক,মুদ্রা ও সোনা পাাচারের অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দার মহা পরিচালক ডক্টর মইনুল খান বলেন, নূরুল ইসলামকে ওই সোনার সন্দেহভাজন হিসেবে আটকের পর দেখা যায় তার পাস মেয়াদোত্তীর্ণ। তারপরও তিনি ডিউটি পাস নিয়ে কি করে কাস্টমস হল বা ইমিগ্রেশানে প্রবেশের সুযোগ পেলেন সেটা জানার জন্য সিভিল এভিয়েশানে কাছে লেখা হবে। তাদের বক্তব্যে কি আসে সেটা দেখতে হবে। এ ছাড়াও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে যদি নূরুল ইসলামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।