২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

প্রাইম ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা


আধুনিক বিশ্বের শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় রেখে সকলের জন্য উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ও উদ্যোমী ব্যক্তির অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ২০০২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদনক্রমে যাত্রা শুরু করে প্রাইম ইউনিভার্সিটি।

বর্তমানে বাংলাদেশের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে প্রাইম ইউনিভার্সিটি অন্যতম। দীর্ঘ এক যুগের পথচলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়টি উচ্চশিক্ষায় জ্ঞান বিতরণ করে চলেছে। পাঁচটি বিভাগে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় চার হাজার। অভিজ্ঞ শিক্ষকম-লী, ডিজিটাল লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা উপকরণ, মানসম্মত শিক্ষার সকল ও সফল ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে।

কিছু আলাদা বিশেষত্বের কারণে প্রাইম ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী হয়। যেমন : এখানে শিক্ষাব্যয় সাধ্যের মধ্যে; ফুলটাইম অভিজ্ঞ, নিবেদিত ও পিএইচডি ডিগ্রীধারী শিক্ষকম-লী; দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্রেডিট ট্রান্সফার ও ইন্টার্নশীপের সুযোগ; কো-কারিকুলাম কার্যক্রমের জন্য একাধিক ক্লাব, ইংরেজী জাপানী, কোরিয়া, আরবীসহ বিভিন্ন ভাষা শেখার জন্য কোর্স।

এছাড়াও রয়েছে পূববর্তী পরীক্ষা ও প্রাইম ইউনিভার্সিটির ফলাফলের ভিত্তিতে ১০-১০০% পর্যন্ত শিক্ষাবৃত্তি; বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগেই সময় মতো ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে ফল সেমিস্টারে বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ, এমবিএ, এলএলবি, এলএলএম, ইলেকট্রনিক এ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইংরেজী (সম্মান), এমএ ইন ইংলিশ, বিএড, এমএড বিষয়গুলো এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। ফল সেমিস্টারে ¯œাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছু প্রথম ১০০ ছাত্রছাত্রীর শতভাগ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে।

রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম প্রধান সড়কে রয়েছে প্রাইম ইউনিভার্সিটির এর বহুতলা ভবন বিশিষ্ট ক্যাম্পাস। এছাড়া মিরপুর মাজার রোডে কাজ চলছে নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস তৈরির।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আশ্রাফ আলী বলেন, মানসম্মত শিক্ষায় প্রয়োজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক। সে বিষয়টি বিবেচনায় এনে আমরা দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছি। আর ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মীর শাহাব উদ্দিন বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের একজন যোগ্য হিসেবে তৈরি করি। এ ক্ষেত্রে যা যা প্রয়োজন তাই করছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আবদুস সোবহান বলেন, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের প্রধান লক্ষ্য নয়, আমরা মানসম্মত শিক্ষায় বিশ্বাসী। এখান থেকে বের হওয়া প্রতিটি গ্রাজুয়েট দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মেধার সাক্ষর রাখছে, যারা একদিন ওই প্রতিষ্ঠানেরই নেতৃত্ব দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আবুল হোসেন সিকদার বলেন, অনেকের মতো মুনাফা অর্জন আমাদের কোন লক্ষ্য নয়, সেবার মানসিকতা নিয়েই আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছি। এ কারণে কম খরচে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

যোগাযোগ : ২এ/১ নর্থ ইস্ট দারুস সালাম রোড, মিরপুর-১, ঢাকা। ফোন: ৯০৩৮৭৭৮, ০১৭৭৬২৩৪৯৮৪।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক