১৬ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

এইচএসসির পর উচ্চ শিক্ষা


ইতিমধ্যেই এইচএসসির ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মনে ভর্তি পরীক্ষা আর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন। কোন পথে যাবে তুমি, তা ঠিক করার এখনই সময়। তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি বিষয়ে পড়ার পরিকল্পনা অনেকেরই। এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য অপেক্ষা করছে নতুন স্বপ্ন, নতুন সম্ভাবনা। সময়টা এখন প্রযুক্তির। প্রযুক্তি এখন জীবনের প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তির ওপর ভর করে। প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকা মানেই পিছিয়ে পড়া। প্রযুক্তির বিশ্ববাস্তবতায় তাই অনেকেই আইটি শিক্ষায় উৎসাহিত হচ্ছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলাতে নিত্যনতুন বিষয় যোগ হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ব্যবস্থায়। শিক্ষার্থীদের সামনে পেশাজীবনে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন সম্ভাবনা। তরুণরা খুঁজে পাচ্ছেন নতুন দিকনির্দেশনা। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি এখন সবচেয়ে যুগোপযোগী। প্রতিটি ভাল ছাত্রের স্বপ্ন বিদেশে বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানিসহ ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী অর্জন। তবে স্বপ্ন পূরণের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে বিপুল খরচ, যা আমাদের দেশের তুলনায় প্রায় দশগুণ। তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সকলের পক্ষে বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা সম্ভব হয় না। একদিকে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী অর্জনের প্রবল আকাক্সক্ষা অন্যদিকে আর্থিক অসচ্ছলতা- এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানের লক্ষ্যে একটি সহজ সুযোগ সৃষ্টি করেছে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)।

শিক্ষা পদ্ধতি : এ শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র পরীক্ষিত হয় যুক্তরাজ্যে। এর যাবতীয় ক্লাস অনুষ্ঠিত হয় ডিআইআইটিতে।

সার্টিফিকেট : এ শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্তরাজ্যের গ্রীনিচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিএসসি অনার্স ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্টিফিকেট দেয়া হয়।

ক্রেডিট ট্রান্সফার : যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সহস্রাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে ডিআইআইটি হতে ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ক্রেডিট ট্রান্সফার করে যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে।

মান নিয়ন্ত্রণ : ডিআইআইটি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ, অভিজ্ঞ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ ফলাফল ও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য যুক্তরাজ্যের এনসিসি এডুকেশন কর্তৃক বেস্ট পার্টনার ও একাডেমিক এক্সিলেন্স এওয়ার্ড অর্জন করেছে, যা দেশের জন্য একটি বিরল সম্মান। পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রের জন্য রয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, ইউনিভার্সিটি অব গ্রীনিচ ও এনসিসি এডুকেশন, ইউকে।

ভর্তির যোগ্যতা : যে কোন গ্রুপে এইচএসসি/এ লেভেল অথবা সমমান পাস। তাছাড়াও ৪ বছর মেয়াদী কম্পিউটার ডিপ্লোমাধারীরা দুই বছরে বিএসসি (অনার্স) ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পারবে।

খরচ : মাত্র ৬-৬.৫ লাখ টাকা, যা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যায়।

চাকরি সুবিধা : পাসকৃত গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের হার শতভাগ। তাছাড়াও ডিআইআইটির শিক্ষার্থীরা ডেফোডিল গ্রুপের ১৭টি প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারী, বেসরকারী ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত আছে। ডিআইআইটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পরিচালিত সফটওয়্যার ফার্মে কাজ করার বিশেষ সুযোগের পাশাপাশি শিক্ষাকালীন অবস্থায় আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে।

ক্যাম্পাস সুবিধা : ডিআইআইটিতে রয়েছে কয়েক হাজার বই সংবলিত আধুনিক লাইব্রেরী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ওয়াইফাই ক্যাম্পাস জোন ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে শতাধিক কম্পিউটার সংবলিত আধুনিক ল্যাব।

স্কলারশিপ সুবিধা : মেধাবী ও অসচ্ছলদের জন্য রয়েছে ১০%-১০০% পর্যন্ত ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্কলারশিপের সুবিধা। মুক্তিযোদ্ধা, স্কুল শিক্ষকের সন্তান ও মেয়েদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপের সুবিধা।

ভর্তির সেশন : ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটিতে বছরে ৪টি সেশনে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) চাকরিজীবীরা সান্ধ্যকালীন শিফটে অংশগ্রহণ করতে পারে।

যোগাযোগ : কনকর্ড রিজেন্সি, ১৯/১, পান্থপথ, ঢাকা। ফোন: ৯১৩৮১৩৯, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩।

মাঈন উদ্দিন